লাকসাম মিডিয়া গ্যালারী

#htmlcaption1 লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected

নাট্যকর্মী নেবে লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

যোগাযোগ এম এ জলিল....+8801716496603 এম সোহেল......+8801825399243 E-mail...lakshammultimediahouse@gmail.com www.facebook.com/lakshammultimediahouse www.lakshamlive.blogspot.com

লাকসাম উপজেলা.

লাকসাম উপজেলা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। কুমিল্লা সদর থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ডাকাতিয়া নদীর তীরে এই উপজেলাটি অবস্থিত। বর্তমানে লাকসাম একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। লাকসাম শহরটি বাণিজ্যের শহর হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের বৃহত্তম পাঁচটি রেলওয়ে জংশনের মধ্যে একটি এখানে অবস্থিত। লাকসাম থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করা হয় ১৯৮২ সালে।

আকর্ষণীয় স্থান সমূহ.

অনেকেই এক দিনের ছুটিতে ঘুরার জন্য প্লেন খুঁজে বেরায়, আর আমি নিয়ে এলাম একদিন ঘুরার দারুণ এক প্লেন। প্রতি বছর প্রচুর সংখ্যক ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরতে আসে কুমিল্লায়। কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষন রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, রাণীর বাংলার পাহাড়, আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি।

ছোট নাটিকা.

জুনিয়র প্রেমিকলেখাঃ রাজিব (দরিদ্র বালক)ঠাস করে একটা শব্দ, ডান গালে তীব্র ব্যথা, চোখেমুখে অন্ধকার দেখছি! চোখ বন্ধ করে গালে হাত দিয়ে চুপ করে অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর চোখ খুলে দেখি মেয়েটি সামনে এখনো দাঁড়িয়ে আছে! চশমা পরা, রাগী চেহারা, রাগে মুখ লালচেহয়ে আছে! কিছু একটা হয়েছে, কিহয়েছে?এসো একটু পেছনে যাই..ব্যস মাত্র পাঁচ মিনিট...এসো.."

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস.

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার. Show all posts

Wednesday, 12 July 2017

কি-বোর্ডের কিছু শর্টকাট কমান্ড


Alt+0131= ƒ (টাকা)
Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)അ
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু বাদ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা

রান কমান্ডের




কোন প্রোগ্রামকে সহজে চালু করতে রানে (Start+R চেপে) গিয়ে উক্ত প্রোগ্রামের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখে ওকে করলেই সেই প্রোগাম চালু হয়। 



একসেসিবিলিটি কন্ট্রোলস – access.cpl
একসেসিবিলিটি উইজার্ড – accwiz
এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড – hdwwiz.cpl
এড/রিমুভ প্রোগ্রামস – appwiz.cpl
এডমিনিষ্ট্রিটিভ টুলস – control admintools
অটোমেটিকস আপডেট – wuaucpl.cpl
ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সেফার উইজার্ড – fsquirt
ক্যালকুলেটর – calc
সার্টিফিকেটস – certmgr.msc
ক্যারেকটার ম্যাপ – charmap
চেক ডিক্স (ডস) – chkdsk
ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার – clipbrd
কমান্ড প্রোম্পট – cmd
কম্পোনেন্ট সার্ভিস – dcomcnfg
কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট – compmgmt.msc
কন্ট্রোল প্যানেল – control
ইউজার একাউন্টস – control userpasswords2
ডেট এন্ড টাইমস – timedate.cpl
ডি.ডি.ই শেয়ার্স – ddeshare
ডিভাইস ম্যানেজার – devmgmt.msc
ডাইরেক্ট এক্স – dxdiag
ডিক্স ক্লিনআপ – cleanmgr
ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট – dfrg.msc
ডিক্স ম্যানেজমেন্ট – diskmgmt.msc
ডিক্স পার্টিশন ম্যানেজার – diskpart
ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – control desktop
ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – desk.cpl
ড: ওয়াটসন ফর উইন্ডোজ – drwtsn32
ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার – verifier
ইভেন্ট ভিউয়ার-eventvwr.msc
ফাইল এন্ড সেটিংস ট্রান্সেফার টুল – migwiz
ফাইল সিগ্নেচার ভেরিফিকেশন টুল – sigverif
ফাইন্ড ফার্ষ্ট findfast.cpl
ফোল্ডার প্রোপার্টিস – control folders
ফন্টস – control fonts
ফন্টস ফোল্ডার – fonts
গেম কন্ট্রোলারস – joy.cpl
গ্রুপ পলিসি এডিটর – gpedit.msc
হেল্প এন্ড সাপোর্ট – helpctr
হাইপারটার্মিনাল – hypertrm
আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড – iexpress
ইনডেক্সসিং সার্ভিস – ciadv.msc
ইন্টারনেট কানেক্‌শন উইজার্ড – icwconn1
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার – iexplore
ইন্টারনেট প্রোপার্টিস – inetcpl.cpl
কীবোর্ড প্রোপার্টিস – control keyboard
লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস – secpol.msc
লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপস – lusrmgr.msc
উইন্ডোজ লগঅফ – logoff
মাইক্রোসফট চ্যাট – winchat
মাইক্রোসফট মুভি মেকার – moviemk
এমএস পেইন্ট – mspaint
মাইক্রোসফট সিনক্রোনাইজেশন টুল – mobsync
মাউস প্রোপার্টিস -control mouse
মাউস প্রোপার্টিস – main.cpl
নেট মিটিং – conf
নেটওয়ার্ক কানেকশনস – control netconnections
নেটওয়ার্ক কানেকশনস – ncpa.cpl
নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড – netsetup.cpl
নোটপ্যাড – notepad
অবজেক্ট পেজ মেকার – packager
ওডিবিসি ডাটা সোর্স এডমিনিস্ট্রেটর – odbccp32.cpl
অন স্ক্রিন কীবোর্ড – osk
আউটলুক এক্সপ্রেস – msimn
এমএস পেইন্ট – pbrush
পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস – password.cpl
পারফরমেন্স মনিটর – perfmon.msc
পারফরমেন্স মনিটর – perfmon
ফোন এন্ড মডেম অপশনস – telephon.cpl
ফোন ডায়ালার – dialer
পাওয়ার কনফিগারেশন – powercfg.cpl
প্রিন্টারস এন্ড ফ্যাক্স – control printers
প্রিন্টারস ফোল্ডার – printers
রিজিউনাল সেটিংস – intl.cpl
রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit
রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit32
রিমোট একসেস ফোনবুক – rasphone
রিমোট ডেক্সটপ – mstsc
রিমুভাল স্টোরেজ – ntmsmgr.msc
রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েষ্ট – ntmsoprq.msc
রেজাল্টেন্ট সেট অপ পলিসি – rsop.msc
স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা – sticpl.cpl
শিডিউল টাস্ক – control schedtasks
সিকিউরিটি সেন্টার – wscui.cpl
সার্ভিসেস – services.msc
শেয়ার্ড ফোল্ডার – fsmgmt.msc
উইন্ডোজ শার্ট ডাউন করা – shutdown
সাউন্ডস এন্ড অডিও – mmsys.cpl
সিস্টেম কনফিগারেশন এডিটর – sysedit
সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি – msconfig
সিস্টেম ইনফোমেশন – msinfo32
সিস্টেম প্রোপার্টিস – sysdm.cpl
টাস্ক ম্যানেজার – taskmgr
টিসিপি টেষ্টার – tcptest
টেলনেট ক্লাইন্ট – telnet
ইউজার একাউন্ট ম্যানেজার – nusrmgr.cpl
ইউটিলিটি ম্যানেজার – utilman
উইন্ডোজ এড্রেস বুক – wab
উইন্ডোজ এড্রেস বুক ইমপোর্ট ইউটিলিটি – wabmig
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার – explorer
উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল – firewall.cpl
উইন্ডোজ ম্যাগনিফায়ার – magnify
উইন্ডোজ ম্যানেজমেন্ট – wmimgmt.msc
উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার – wmplayer
উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার – msmsgs
উইন্ডোজ সিস্টেম সিকিউরিটি টুলস – syskey
আপডেট লাঞ্চ – wupdmgr
উইন্ডোজ ভার্সন – winver
উইন্ডোজ এক্সপি টুর – tourstart
ওয়ার্ড প্যাড – write

Wednesday, 24 May 2017

Core i3, Core i5, এবং Core i7 এর পার্থক্য জানেন কি ?

Core i3:
* প্রসেসর হবে এনট্রি লেভেলের
* ২-৪ টা কোর
* ৪ টা থ্রেডস
* ৩-৪ এমবি Catche
* ৩২ এনএম সিলিকন (হিট ও এনার্জি কমায়)

 

Core i5:
* মধ্যবর্তী লেবেলের প্রসেসর
* ২-৪ টা কোর
* ৪ টা থ্রেডস
* টারবো মোড (অব্যবহৃত কোর বন্ধ করে রাখে)
* হাইপার থ্র্যাডিং ( প্রসেসরের রিসোর্স পর্যাপ্ত ব্যবহার করে)
* ৩-৮ এমবি Catche
* * ৩২-৪৫ এনএম সিলিকন (হিট ও এনার্জি কমায়)

Core i7:
* উচ্চ পর্যায়ের প্রসেসর
* ৪ টা কোর
* ৮ থ্রেডস
* টারবো মোড (অব্যবহৃত কোর বন্ধ করে রাখে)
* হাইপার থ্র্যাডিং ( প্রসেসরের রিসোর্স পর্যাপ্ত ব্যবহার করে)
* ৩-৮ এমবি Catche
* * ৩২-৪৫ এনএম সিলিকন (হিট ও এনার্জি কমায়)

Monday, 22 May 2017

ফাংশন কী এবং তার ব্যবহার F1 থেকে F12

ফাংশন কী হলো কীবোর্ডের একেবারে উপরে এক সারিতে F1 থেকে F12 যে কী গুলো আছে সেগুলো । ফাংশন কী গুলো একেক কী একেক কাজে ব্যবহার করা হয়। মূলত কম্পিউটার সহজেই অপারেট করতে এই কী গুলোর কোন বিকল্প নেই। 


F1
  • Windows Key + F1 প্রেস করলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ হেল্প ও সাপোর্ট সেন্টার ওপেন হবে।
  • CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
  • এটি হেল্প কী হিসেবে কাজ করে। যেকোন প্রোগ্রামের উইন্ডো ওপেন থাকা অবস্থায় F1 কী প্রেস করুন। তাহলে হেল্প উইন্ডো দেখতে পাবেন।
  • Ctrl + F1 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসের রিবন/টাস্ক প্যান শো ও হাইড করা যায়।
F2
  • Alt + Ctrl + F2 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসে ডকুমেন্ট উইন্ডো ওপেন করা যায়। যেমন আপনি পাওয়ার পয়েন্টে গিয়ে যদি এ কীগুলো প্রেস করেন তাহলে একটি উইন্ডো আসবে যার টাইটেল হলো “ওপেন”। এর মাধ্যমে আপনি পাওয়ার পয়েন্টের ফাইল ওপেন করতে পারবেন (অন্য ফাইল ও ওপেন করা যায়)।
  • উইন্ডোজের সকল ভার্সনে ফাইল ও ফোল্ডার রিনেম করার জন্য ফাইল বা ফোল্ডার সিলেক্টেড অবস্থায় এটি প্রেস করে রিনেম করা যায়।
  • CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
  • Ctrl + F2 মাইক্রোসফট অফিসে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
F3
  • MS-DOS বা Windows command line এ F3 প্রেস করলে লাস্ট কমান্ডটি দেখাবে।
  • হাতের) চেঞ্জ করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
  • Shift + F3 মাইক্রোসফট অফিসে কেস (সব গুলো আপার, সব গুলো লোয়ার, শুধু প্রতি শব্দের প্রথম লেটার বড়
  • Windows Key + F3 প্রেস করলে আউটলুকের সার্চ অপশন দেখাবে।
  • আপনি ডেস্কটপ হতে যদি F3 কী প্রেস করেন তাহলে সার্চ অপশন ওপেন হবে। তেমনি যেসব এপ্লিকেশানে সার্চ অপশন ব্যবহার হয় যেমন ওয়েব ব্রাউজার – F3 প্রেস করলে সার্চ অপশন আসবে। তবে এটি সব এপ্লিকেশানে সেম কাজ করে না।
  • Apple computer এর Mac OS X এ Mission Control ওপেন করবে।
F4
  • মাইক্রোসফট অফিসে সর্বশেষ যে কাজটি করেছেন সেটি রিপিট করবে। যেমন ব্যাকস্পেস প্রেস করার পর F4 প্রেস করলে এটি ব্যাকস্পেস এর কাজ করবে। কোন একটা লেখা একবার পেস্ট করার পর আপনি যতবার F4 প্রেস করবেন ততবার লেখাটি পেস্ট হবে ইত্যাদি।
  • উইন্ডোজ 95 হতে XP এ ফাইন্ড উইন্ডো ওপেন করবে।
  • Ctrl + F4 প্রেস করে সাবউইন্ডো গুলো ক্লোজ করা হয়। যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে যদি আপনি কোন ফাইল ওপন থাকা অবস্থায় এ কী দুটো প্রেস করেন তাহলে আপনার ওপেন করা ডকুমেন্টটি ক্লোজ হবে, ওয়ার্ড এপ্লিকেশনটি নয়। তেমনি ফটোশপ বা মাল্টি ডকুমেন্ট ওপেন করা যায় এমন এপ্লিকেশানে এই শর্টকাটটি কাজে আসবে।
  • Windows Explorer ও Internet Explorer এড্রেস বার ওপেন করবে। (ফায়ার ফক্সে বা অন্যন্য ব্রাউজারে এড্রেসবার সিলেক্ট করে F4 প্রেস করলে এড্রেস বার ওপেন হবে।
  • Alt + F4 প্রেস করলে যে উইন্ডোটি ওপেন করা অবস্থায় থাকবে তা ক্লোজ হবে। আর ডেস্কটপ হতে এ কী দুটো প্রেস করলে শাটডাউন অপশন আসবে।
F5
  • মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে গো টু ট্যাব সিলেক্টের অবস্থায় ফাইন্ড, রিপ্লেস ও গো টু উইন্ডো ওপেন হবে।
  • F5 ওয়েব ব্রাউজারের ওয়েবপেজ বা ডকুমেন্ট রিফ্রেশের কাজে করে।
  • মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো দেখানোর জন্য F5 কী প্রেস করতে হয়।
  • ডেস্কটপ বা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারেও এটি রিফ্রেশ করার কাজ করে।
F6
  • Ctrl + Shift + F6 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসে (যেমন ওয়ার্ড) এক ডকুমেন্ট হতে অন্য ডকুমেন্টে টোগল করা যায়।
  • ওয়েব ব্রাউজারের এড্রেস বারে কার্সর নেয়ার জন্য F6 প্রেস করতে হয়।
F7
  • Shift + F7 প্রেস করলে হাইলাইটেড ওয়ার্ড (ওয়ার্ডে কার্সর থাকলেই হবে) Thesaurus চেক করবে।
  • মাইক্রোসফট অফিসে স্পেলিং ও গ্রামার চেক করার জন্য F7 কী প্রেস করতে হয়।
  • ফায়ার ফক্সে ক্যারেট ব্রাউজিং (ওয়েব পেজে মুভেবল কার্সর ইউস করা) করা যায় F7 কী প্রেস করে।
F8
  • উইন্ডোজ স্টার্ট আপ মেনু তে যাবার জন্য F8 কী প্রেস করা হয় আর এটি সাধারণত ইউস করা হয়ে থাকে উইন্ডোজ সেফ মুডে রান করার জন্য।
F9
  • Fn + F9 এপল কম্পিউটারের এর Mac OS X এ Mission Control ওপেন করবে।
  • কোয়ার্ক ৫.ও এ মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা যায়।
  • ম্যাক ওএস 3 বা পরবর্তী ভার্সনের সকল ওপেন উইন্ডো গুলো দেখায়।
F10
  • Shift + F10 মাউসের রাইট বাটনের কাজ করে।
  • উইন্ডোজ বা অন্যান্য এপ্লিকেশানে মেনুবার একটিভ হয়।
  • CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
  • এইচপি ও সনি কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
  • Mac OS 10.3 বা পরবর্তী ভার্সনের কোন এপস এর সকল ওপেন উইন্ডো গুলো দেখায়।
F11
  • Ctrl + F11 ডেল কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
  • ব্রাউজার ফুল স্ক্রীনে দেখায়।
  • Shift + F11 মাইক্রোসফট এক্সেলে নতুন শীট এবং Ctrl + F11 ওয়ার্কবুকে নতুন ম্যাক্রো এড করে।
  • ইমেশিনস, গেটওয়ে ও লেনোভো কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
  • Mac OS 10.4 বা পরবর্তী ভার্সনের সকল ওপেন উইন্ডো গুলো হাইড করে ডেস্কটপ দেখায়।
F12
  • Shift + F12 প্রেস করলে মাইক্রোসফট অফিস এর ডকুমেন্ট সেভ করে।
  • এপল কম্পিউটারের ম্যাক ওএস 4 বার পরবর্তী ভার্সনে ড্যাশবোর্ড শো ও হাইড করে।
  • মাইক্রোসফট অফিসে সেভ এস উইন্ডো ওপেন হয়।
  • অভ্রতে কীবোর্ড চেঞ্জ করার জন্য F12 ব্যবহার হয়ে থাকে(এটি পরিবর্তন যোগ্য)। সেক্ষেত্রে মাইক্রোসফট অফিসে সেভ এস উইন্ডোটি দেখায় না।
  • মাইক্রোসফট এক্সপ্রেশান ওয়েবে পেজ প্রিভিও করে।
  • ফায়ার বাগ ওপেন করে।
  • Ctrl + Shift + F12 মাইক্রোসফট অফিসে প্রিন্ট অপশন আসে।


Sunday, 21 May 2017

কম্পিউটার থেকে BIOS পাসওর্য়াড মুছে ফেলুন

Concept: কম্পিউটারের ডীফল্ট সেটিংস থাকে বায়োসে। অনেক ইউজার ডীফল্ট সেটিংসকে সুরক্ষিত রাখতে বায়োসে পাসওর্য়াড দিয়ে থাকেন। যদি কোন কম্পিউটারে BIOS পাসওর্য়াড দেয়া থাকে তবে উক্ত কম্পিউটারে নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হলে BIOS পাসওর্য়াড দিয়ে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে। কিন্তু যদি BIOS পাসওর্য়াড জানা না থাকে?  তাহার জন্য নির্দেশনা নিম্নরুপঃ-
Step: 1
Note: কম্পিউটার Shut down করে পাওয়ার ক্যাবল খুলে ফেলুন। অতঃপর কম্পিউটারের কভার খুলে মাদারর্বোড থেকে CMOS (সিমোচ) ব্যাটারী খুলে ফেলুন। পাচঁ/ছয় মিনিট অপেক্ষা করে আবার মাদারবোর্ডের যেখানে CMOS ব্যাটারী ছিল সেখানে স্থাপন করুন। অতঃপর পিসির সাথে Power Cable এর সংযোগ স্থাপন করে কম্পিউটার Start করুন। আশা করি আপনার কম্পিউটারের বায়োস Password মুছে যাবে। যদি কোন কারণে BIOS পাসওর্য়াড Delete না হয়। তবে দ্বিতীয় স্টেপ অনুযায়ী আপনার কম্পিউটারের বায়োস পাসওর্য়াড Delete করতে হবে।
Step: 2 
Note:  মাদারর্বোড থেকে জাম্বপার খূলে ফেলুন। লক্ষ্য করুন মাদারর্বোডের সিমোচ ব্যাটারীর পাশে কিংবা প্রসেসরের পাশে দুইটা অথবা তিনটা পিন আছে এবং উক্ত পিনের নিচে CLEAR, CLEAR CMOS, JCMOS1, CLR, CLRPWD, PASSWD, PASSWORD, PSWD অথবা PWD এর যে কোন একটি ওর্য়াড লেখা আছে।
যদি দুটি পিন থাকে এবং তারমধ্যে Jumper বসানো থাকে, তবে জাম্বার খুলে ফেলুন। পাচঁ/ছয় মিনিট অপেক্ষা করে Computer চালু করে দেখুন কোন BIOS পাসওর্য়াড নাই। অতঃপর কম্পিউটার Turn Off  করে মাদারর্বোডের যেখানে জাম্বার বসানো ছিল আবার জাম্পার সেখানে বসিয়ে Computer চালু করুন। আর যদি তিনটি পিন থাকে তবে লক্ষ্য করুন 1 নং এবং 2 নং পিনের সাথে Jumper  বসানো আছে। এখন জাম্পার খুলে 2 নং এবং 3 নং পিনের সাথে বসিয়ে Computer চালু করে দেখুন কোন BIOS পাসর্য়াড নাই। অতঃপর কম্পিউটার Turn Off করে মাদারবোর্ডের যেখানে Jumper বসানো ছিল অর্থাৎ 1 নং এবং 2 নং পিনের সাথে  Jumper বসিয়ে দিন। ফলে 5/6 মিনিট কম্পিউটারে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার কারণে বায়োসের ব্যাকআপ বিদ্যুৎ শেষ হয়ে যায় এবং বায়োস ডীফল্ট সেটিংসে রুপান্তরিত হয়। এবং বায়োস Password মুছে যায়। কম্পিউটারের ডীফল্ট সেটিংসে বায়োসে কোন Password থাকে না।

এম.এস একসেস/ডাটাবেস পরিচিতি ও ব্যবহার

এম.এস একসেস/ডাটাবেস পরিচিতি ও ব্যবহার

(এম.এস একসেস)
ডেটা বা উপাত্ত কি ?
কোন বিষয় বা জিনিষের নামকেই সাধারণ ভাবে ডেটা বা উপাত্ত বলে। যেমন: অবস্থা, সময়, পরিমমাণ, মূল্য ইত্যাদি নির্দেশক বিভিন্ন শব্দ বা সংখ্যা ডেটার উদাহরণ। ডেটা একটি বহুবচন শব্দ, যার একবচন ডেটাম।
তথ্য বা ইনমরমেশন কি ?
সংগৃহীত ডেটা বা উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর প্রয়োজন মত সাজানো বা অর্থপূর্ণ অবস্থাকে তথ্য বা ইনফরমেশন বলা হয়।
ডেটা সংগঠন কি ?
কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকণের উপযোগী ডেটা বা উপাত্তের বিশেষ সংগঠনকে ডেটা সংগঠন বা ডেটা ষ্ট্রাকচার বলা হয়। ক্যারেক্টর বা অক্ষর, ফিল্ড বা ক্ষেত্র রেকর্ড, ফাইল,ডেটাবেস প্রভৃতি ডেটা সংগঠনের অংশ।
ফিল্ড, রেকর্ড ও ফাইল কি ?
ফিল্ডঃ ডেটা সংগঠনে কয়েকটি ক্যারেক্টর বা (বর্ণ,অংক, ইত্যাদি) নিয়ে গঠিত একটি আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। উদাহরণঃ Masud, Meena, Phone: 01736360897 ইত্যাদি।
রেকর্ডঃ পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে একটি রেকর্ড গঠিত হয়। যেমন: একজন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষার নাম, রোল নং, প্রাপ্ত নম্বর ইত্যাদি সমন্বয়ে একটি রেকর্ড গঠিত হয়।
ফাইলঃ পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কতকগুলো রেকর্ডের সুসংবদ্ধ সমন্বয়কে ডেটা ফাইল বলে। যেমন: শিক্ষকদের বেতন ও সম্মানী প্রদানের রেকর্ড নিয়ে বেতন প্রদানের ফাইল তৈরী হয়।
ডেটাবেস কি ?
ডেটাবেস বলতে ডেটা ভান্ডার বা ডেটা সম্ভারকে বুঝায়। সাধারণত: পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত কতকগুলো ডেটা ফাইল নিয়ে একটি ডেটাবেস গঠিত হয়। উদাহরণ: কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল সংরক্ষনের ফাইল, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানের ফাইল, প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ে ফাইল প্রভৃতি সমন্বয়ে ঐ প্রতিষ্ঠানের ডেটাবেস হতে পারে।
ডেটাবেসে ডেটা বা উপাত্তগুলো সাধারণত: সারি বা কলাম সমন্বয়ে গঠিত টেবিল আকারে সুসজ্জিত থাকে। যা থেকে নির্দিষ্ট কোন উপাত্ত অতি দ্রুত ও সহজে সনাক্ত করা যায়, প্রয়োজনীয় উপাত্তগুলো পছন্দের আঙ্গিকে সাজানো যায় বা পরিবর্তন করা যায় এবং চুড়ান্ত রিপোর্ট তৈরী করা যায়।
ডেটাবেস প্যাকেজ কি ?
ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত প্যাকেজ প্রোগ্রামকে ডেটাবেস প্যাকেজ বলা হয়। বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ডেটাবেস প্যাকেজ প্রোগ্রাম হলো- dBase, FoxBase, Foxpro, Access, Oracle ইত্যাদি।
 একসেস কি ধরণের প্রোগ্রাম ?
মাইক্রোসফট একসেস একটি উইন্ডোজ ভিত্তিক শক্তিশালী রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম বা প্রোগ্রাম। প্রোগ্রামিং সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকলেও মাইক্রোসফট একসেস নিয়ে খুব সহজেই শক্তিশালী আকর্ষনীয় এপ্লিকেশন তৈরী করা যায়। একটি একসেস ডেটাবেসে এক বা একাধিক টেবিল ছাড়াও কোয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট, ম্যাক্রো, মডিউল ইত্যাদি থাকতে পারে। বর্তমানে একসেস ডেটাবেস একটি সর্বজনীন ডেটাবেস প্রোগ্রাম হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
 একসেস ডেটাবেসের উপাদান কি কি ?
ডেটা টেবিল হলো যে কোন ডেটাবেসের অন্যতম প্রধান উপাদান। অন্যান্য ডেটাবেস প্রোগ্রামে উপাত্ত সমূহ একটি একক টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে কিন্তু একটি এবসেস ডেটাবেসে এক বা একাধিক টেবিল ছাড়াও কোয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট, ম্যাক্রো, মডিউল ইত্যাদি থাকতে পারে।
কোয়েরি কি ?
কোন ডেটা টেবিলে অসংখ্য ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় ডেটাকে প্রদর্শনের সহজ ও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থাই হলো কোয়েরি। কোয়েরির সাহায্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের ডেটা নির্দিষ্ট শর্তানুসারে প্রদর্শস করা এবং তা ছাপিয়ে উপস্থাপন করা যায়। কোয়েরি বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন : সিলেক্ট কোয়েরি, প্যারামিটার কোয়েরি, ক্রশট্যাব কোয়েরি, একশন কোয়েরি এবং এসকিউএল কোয়েরি ইত্যাদি।
ফর্ম কি ?
ডেটাবেস প্রক্রিয়াকৃত বা চূড়ান্তভাবে মনোনীত ডেটা প্রদর্শন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করার মাধ্যমকে ফর্ম বলে। সাধারণত ফর্মের মাধ্যমেই ডেটাকে উপস্থাপন করা হয়। ডেটা টেবিলের ন্যায় ফর্মেও ডেটা এন্ট্রি করা যায়। এ জন্য প্রথমে প্রয়োজন মত ফর্ম ডিজাইন করে নিতে হয়। ফর্মে গ্রাফিক্স, চিত্র ও টেক্সটের সমন্বয় করা যায়।
রিপোর্ট কি ?
ডেটা টেবিলে ডেটা বিভিন্ন ভাবে সাজানো থাকে। ডেটাবেস থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা সমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে। ডেটা টেবিলের ডেটা সরাসরি প্রিন্ট না করে রিপোর্ট তৈরী করে অপেক্ষাকৃত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা যায়।
রিপোর্ট আবার কয়েক ধরণের হতে পারে। যেমনঃ-
১। ডিটেইল রিপোর্ট।   ২। সামারী রিপোর্ট।   ৩। ক্রশ-ট্যাবুলেশন রিপোর্ট।
৪। রিপোর্ট উইথ গ্রাফিক্স এন্ড চার্ট।  ৫। রিপোর্ট উইথ ফর্মস। ৬। রিপোর্ট উইথ লেবেল।
পেজ কি ?
ইন্টারনেটে মাইক্রোসফট একসেস বা SQL সার্ভারে সংরক্ষিত ডেটা নিয়ে কাজ করার জন্য ডেটাবেস একসেস পেজ তৈরী করা যায়। ডেটাবেস একসেস পেজ-এ ট্যাবের আওতায় সংরক্ষিত থাকে। একসেস পেজ মাইক্রোসফট একসেল বা এ জাতীয় অন্যান্য উৎসের ডেটা নিয়েও কাজ করা যায়।
ম্যাক্রো কি ?
ম্যাক্রো হচ্ছে এক ধরণের ছোট প্রোগ্রাম। এ ট্যাবে কিক করলে বর্তমান ডেটাবেসের সকল ম্যাক্রো প্রোগ্রামগুলোর তালিকা দেখা যায়। এখান থেকে কোন ম্যাক্রো সংশোধন বা নতুন ম্যাক্রো তৈরী করা যায়।
মাইক্রোসফট একসেস লে-আউট উইন্ডোর পরিচিতি ।
কম্পিউটার চালু হওয়ার পর Start > Programs/All Programs > Microsoft Access > Enter বার্টন/কী চাপলে অথবা মাউসের দ্বারা  Microsoft Access এর উপর ক্লিক করলে মাইক্রোসফট একসেস প্রোগ্রামটি পর্দায় সচল হয়।
Microsoft Access এর লে-আউট উইন্ডেতে টাইটেল বার, মেনু বার, ডাটাবেস টুলবার, ষ্ট্যাটাস বার, টাস্ক বার ইত্যাদি থাকে।
টাইটেল বারঃ  উইন্ডোর শীর্র্ষদেশে মাইক্রোসফট একসেস লেখা লাইন বা বারকেই টাইটেল বার বলে।
মেনুবারঃ টাইটেল বারের নীচে File, Edit, View, Insert, Tool, Window, Help  লেখা লাইন বা বারকে মেনুবার বলে।
টুলবারঃ সাধারণত: টাইটেল বারের নীচে বিভিন্ন আইকন বা চিত্র সম্বলিত বারকেই টুলবার বলে। মাইক্রোসফট একসেসে বিভিন্ন টুলবার রয়েছে। তন্মধ্যে ডেটাবেস টুলবারটি ডিফল্ট হিসেবে সেট করা থাকে। টুলবার উইন্ডো থেকে যে কোন টুলবারকে এক্টিভ উইন্ডোতে হিড বা ডিসপ্লে করানো যায়।
ষ্ট্যাটাস বারঃ উইন্ডোর নীচে ষ্টার্ট-আপ বা টাস্ক বারের উপরে যেখানে Ready (রেডি) লেখা থাকে তাকে ষ্ট্যাটাস বার বলে। এই বারে সর্বদা বিশেষ তথ্য প্রদর্শন করে।
কন্ট্রোল মেনুঃ টাইটেল বারের শুরুতে চাবি চিহ্নিত বক্সে মাউসের ক্লিক করলে একটি মেনু প্রদর্শিত হয়। একে কন্ট্রোল মেনু বলে।
কোজঃ টাইটেল বারের ডান পাশে ক্রস () চিহ্নিত বার্টনকে কোজ বর্টন বলে। এই বার্টনে কিক করে চলমান উইন্ডো থেকে বের হওয়া যায়।
মিনিমাইজঃ  টাইটেল বারের ডান পাশে বিয়োগ (-)চিহ্নিত বার্টনকে মিনিমাইজ বার্টন বলে। উইন্ডোকে বড় থেকে ছোট করার জন্য এ বার্টনে কিক করতে হয়।
ম্যাক্সিমাইজঃ  টাইটেল বারের ডান পাশে বর্গাকার () চিহ্নিত বার্টনকে ম্যাক্সিমাইজ বার্টন বলে। উইন্ডোকে ছোট থেকে বড় করার জন্য এ বার্টনে কিক করতে হয়।
মাইক্রোসফট একসেস-এ একটি নতুন ডেটাবেস টেবিল তৈরী করার পদ্ধতি কি ?
মাইক্রোসফট একসেসে দুই ভাবে টেবিল তৈরী করা যায়। টেবিল উইজার্ড (Table wizard) ডিজাইন ভিউ (Design view) থেকে।
টেবিল উইজার্ড- এ টেবিল তৈরী করার পদ্ধতিঃ
ডেটাবেজ উইন্ডো থেকে Create Table by using Wizard- এ ডবল কিক করলে টেবিল উইজার্ড বক্স আসবে।
উইজর্ডের বাম দিকে Sample Table লেখা অংশে বিভিন্ন টেবিলের নাম থেকে প্রয়োজন মত টেবিল নির্বাচন করতে হবে। এটা নির্বাচন করা হলে উইজার্ডের মাঝের অংশে এটির ফিল্ড সমূহ প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে পছন্দ মত ফিল্ড নির্বাচন করলে তা উইজার্ডের ডান পাশে প্রদর্শিত হয় এবং নতুন টেবিলের ফিল্ড নাম হিসেবে বিবেচিত হয়।
ফিল্ড নির্বাচন করাঃ ফিল্ড নির্বাচিত করা হলে নির্বাচিত ফিল্ড সমূহ Field in my new table বক্সের মধ্যে প্রদর্শিত হবে।
             .>   চিহ্নিত বোতাম কিক করে একটি ফিল্ড নির্বাচন করা যায়।
            .>>  চিহ্নিত বোতাম কিক করে সকল ফিল্ড একসাথে নির্বাচন করা যায়।
            .<    চিহ্নিত বোতাম কিক করে একটি ফিল্ড বাতিল করা যায়।
            .<<  চিহ্নিত বোতাম কিক করে সকল  ফিল্ড বতিল করা যায়।
উইজার্ডের বাম অংশ থেকে Student নির্বাচন করে মাঝের অংশে যথাক্রমে StudentID, First Name, Address, City, Student Number ফিল্ডগুলোতে ডবল কিক করে তা নির্বাচিত করে Finish বার্টনে কিক করলে Student নামে একটি টেবিল তৈরী হবে।
ডিজাইন ভিউ- এ টেবিল তৈরী করার পদ্ধতিঃ
ডেটাবেস উইন্ডো থেকে টেবিল ট্যাব নির্বাচন করে এ ডবল ক্লিক করলে ডিজাইন ভিউ আসবে।
ফিল্ড নেম কলামের প্রথম রো হতে পর্যায়ক্রমে StudentID, First Name, Address, City, Student Number ইত্যাদি লিখতে হবে। Data Type হিসেবে Text নির্বাচন করতে হবে।
টেবিল Save করার জন্য ফাইল মেনু থেকে Save অপশনে কিক করলে  Save As ডায়ালগ বক্স আসবে টেবিলের নাম লিখে Ok বার্টনে ক্লিক করে প্রাইমারী কী জন্য ইয়েস/নো লেখা ডায়ালগ বক্স আসবে এখান থেকে ইয়েস সিলেক্ট করে ওকে বোতামে ক্লিক করলে সেভ হবে। এবার ফাইল মেনু থেকে Close অপশনে ক্লিক ফাইলটি বন্ধ করতে হবে।
এরপর ফাইলটি অর্থাৎ তৈরি করা টেবিলটি ওপেন করে প্রয়োজনীয় ডাটা এন্ট্রি করলেই ডিজাই ভিউ-এ একটি ডাটা টেবিল তৈরি হলো।
বিভিন্ডান ধরণের ডটা টাইপ সমূহঃ
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ডাটা নিয়ে কাজ করতে হয়। এজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে ডাটার ব্যবহার দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। আমরা জানি ডাটাবেস মানেই হলো বিভিন্ন রকমের অসংখ্য ডাটা বা তথ্যের সমাহার। বিভিন্ন ধরণের ডাটা প্রয়োগ বা ব্যবহার অনুসারে এগুলোকে কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। ডাটার এই বিভিন্ন প্রকৃতি বা ধরণগুলোকে ডাটা টাইপ বা উপাত্তের ধরণ বলা হয়। মাইক্রোসফট একসেস ডাটাবেস তৈরি করার সময় কোন ফিল্ডে কি ধরণের ডাটা জমা থাকবে তা ঠিক করে দিতে হয়। ডাটাবেস প্রোগ্রামে ডাটার ধরণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যে কোন ফিল্ডে যে কোন ডাটা এন্ট্রি করা যায় না। কোন অক্ষর বা বর্ণ জাতীয় ডাটার জন্য টেক্সট এবং অংক বা সংখ্যা জাতীয় ডাটার জন্য নম্বর ইত্যাদি ফিল্ড নির্বাচন করতে হয়। মাইক্রোসফট একসেস এ মোট ১০ প্রকারের ডাটা এন্ট্রি করা যায়। যথাঃ-
১. টেক্সটঃ যে কোন বর্ণ বা অক্ষর জাতীয় কোন কিছু লেখার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
২. মেমোঃ এ ফিল্ডের ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। কোন বর্ণ কিংবা তথ্য, মন্তব্য লেখার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
৩. নাম্বারঃ যে কোন অংক সংখ্যা লেখার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
৪. ডেট/টাইমঃ তারিখ ও সময় লেখার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
৫. কারেন্সিঃ যে কোন মুদ্রার পরিমাণ লেখার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
৬. অটো নাস্বারঃ স্বয়ংক্রিয় ভাবে যে কোন ক্রমিক নম্বর লেখার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
৭. ইয়েস/নোঃ হ্যা বা না অথবা যে কোন লজিক্যাল ডাটা লেখার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
৮. ওএলই (ওলে) অবজেক্টঃ যে কোন ছবি, টেক্সট, গ্রাফ ইত্যাদি অবজেক্ট সংযুক্ত করার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
৯. হাইপারলিঙ্কঃ কোন ফাইল কিংবা ইন্টারনেটের কোনো এড্রেসের সাথে সংযুক্ত করার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
১০. লুকআপ উইজার্ডঃ কোন ফিল্ডে ডাটা এন্ট্রি না করে তাতে প্রয়োজনীয় সংযোজন করার জন্য এই টাইপ ব্যবহার করা হয়।
ফিল্ডঃ এক বা একাধিক বর্ণ, অংক বা চিহ্ন নিয়ে এক একটি ফিল্ড গঠিত হয়। ফিল্ডকে রেকর্ডের অংশ হিসেবে ধরা হয়। ইহা সাধারণত: ডাটাবেসে কলাম শিরোনামে উপস্থাপন করা হয়। এজন্য ফিল্ডকে ডাটা টেবিলের কলাম হেডিংও বলা হয়ে তাকে। নির্দিষ্ট ফিল্ডের অধীনে নির্দিষ্ট শেণির ডাটা থাকে। একটি ডাটা ফাইলের তথ্যাদি বোঝার সহজ উপায় হলো ফিল্ড। অর্থাৎ ফিল্ড দেখে বোঝা যায় কোন ডাটা কোন নির্দেশক। একটি ডাটাবেসে এক বা একাধিক ফিল্ড থাকতে পারে।
রেকর্ডঃ ডাটা টেবিলের ফিল্ড সমূহের অধীনে যে সমস্ত তথ্য বা তথ্যাবলী সারি বা সারি সমূহে এন্ট্রি করা হয় ঐ প্রতিটি সারির তথ্যাবলীর সমষ্টিকেই রেকর্ড বলে। অর্থাৎ কয়েকটি ফিল্ডের উপাত্তের সমন্বয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড। আর এক বা একাধিক রেকর্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি ডাটাবেস।