লাকসাম মিডিয়া গ্যালারী

#htmlcaption1 লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected

নাট্যকর্মী নেবে লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

যোগাযোগ এম এ জলিল....+8801716496603 এম সোহেল......+8801825399243 E-mail...lakshammultimediahouse@gmail.com www.facebook.com/lakshammultimediahouse www.lakshamlive.blogspot.com

লাকসাম উপজেলা.

লাকসাম উপজেলা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। কুমিল্লা সদর থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ডাকাতিয়া নদীর তীরে এই উপজেলাটি অবস্থিত। বর্তমানে লাকসাম একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। লাকসাম শহরটি বাণিজ্যের শহর হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের বৃহত্তম পাঁচটি রেলওয়ে জংশনের মধ্যে একটি এখানে অবস্থিত। লাকসাম থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করা হয় ১৯৮২ সালে।

আকর্ষণীয় স্থান সমূহ.

অনেকেই এক দিনের ছুটিতে ঘুরার জন্য প্লেন খুঁজে বেরায়, আর আমি নিয়ে এলাম একদিন ঘুরার দারুণ এক প্লেন। প্রতি বছর প্রচুর সংখ্যক ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরতে আসে কুমিল্লায়। কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষন রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, রাণীর বাংলার পাহাড়, আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি।

ছোট নাটিকা.

জুনিয়র প্রেমিকলেখাঃ রাজিব (দরিদ্র বালক)ঠাস করে একটা শব্দ, ডান গালে তীব্র ব্যথা, চোখেমুখে অন্ধকার দেখছি! চোখ বন্ধ করে গালে হাত দিয়ে চুপ করে অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর চোখ খুলে দেখি মেয়েটি সামনে এখনো দাঁড়িয়ে আছে! চশমা পরা, রাগী চেহারা, রাগে মুখ লালচেহয়ে আছে! কিছু একটা হয়েছে, কিহয়েছে?এসো একটু পেছনে যাই..ব্যস মাত্র পাঁচ মিনিট...এসো.."

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস.

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

Tuesday, 19 September 2017

আপনার জন্য সঠিক ফেসিয়াল কোনটি



ফেসিয়ালের সঠিক সময়

আমরা অনেকেই মনে করে থাকি, ২৫-৩০ বছরের আগে ফেসিয়াল করা ঠিক না। এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। ফেসিয়াল আমাদের ত্বককে পরিষ্কার ও টান টান রাখে। তাই নিয়মিত ফেসিয়াল করলে বয়সজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে ত্বক পরিষ্কার রাখতে যেকোনো বয়সেই ফেসিয়াল করানো যায়। কিন্তু ট্রিটমেন্ট বেইজ ফেসিয়ালগুলো একটু বয়স হলেই করানো ভালো। সাধারণত ট্র্রিটমেন্ট বেইজ ফেসিয়ালগুলো তিন-চার মাসের হিসেবে করানো হয়। আর ত্বক পরিষ্কার রাখার ফেসিয়াল ১৫ দিন পরপর করলে ভালো হয়।




ডায়মন্ড ফেসিয়াল

এই ফেসিয়াল আনইভেন স্কিন টোনের উন্নতি করে আর বয়সের ছাপ লুকাতে সাহায্য করে। রোদে পোড়া কালো ছোপ, ব্রণের দাগ, রুক্ষ শুষ্ক ত্বক এগুলোর চিকিৎসায় ডায়মন্ড ফেসিয়ালের সমকক্ষ আর কিছুই নেই। ডায়মন্ড ফেসিয়াল ত্বকের অতিরিক্ত টক্সিন ধুয়ে-মুছে ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ত্বক অতি দ্রুত লাবণ্যতা ফিরে পায়। এতে ত্বকের মরা চামড়া ঝরে পড়ে আর ত্বক হয়ে ওঠে টানটান। এই ফেসিয়াল ত্বকের ব্লাড ফ্লো বাড়িয়ে দেয়, ত্বকের ডিপ ক্লিন করে, রিঙ্কেল কমিয়ে আনে, ত্বক উজ্জ্বল করে তোলে।

গ্লোল্ড ফেসিয়ালঃ

সেনসেটিভ ত্বক ছাড়া যে কোন ত্বকের জন্যই এই ফেসিয়াল উপকারী। এটা সব বয়সী ত্বকের জন্য নেওয়া যাবে। ত্বকের পুরনো লাবণ্য, উজ্জ্ব্বলতা ফিরিয়ে আনতে গোল্ড ফেসিয়ালের জুড়ি নেই। ত্বকে লুকিয়ে থাকা ধূলো ময়লা, বিষাক্ত পদার্থ বের করে আনার ক্ষমতা সোনার অসীম। নতুন কোষ জন্মানোর জন্য সোনার অবদান অনেক। বিশেষ করে বিয়ের কনের জন্য গোল্ড ফেসিয়াল খুব ভালো ফলাফল দেবে। কারণ এটা ত্বকে সুন্দর একটা সোনালি আভা এনে দেয়।

পার্ল ফেসিয়ালঃ

পার্ল ফেসিয়াল সব ধরনের ত্বকের জন্য প্রযোজ্য, তবে স্পর্শকাতর ত্বকে এই ফেসিয়াল করা যাবে না। পার্ল ফেসিয়াল করার পর ত্বকে একটা হোয়াইটিশ আভা আসে এবং অনেক দিন দীর্ঘস্থায়ী হয়।

সিলভার ফেসিয়ালঃ

চেহারায় তাৎক্ষণিক জৌলুস আনতে সিলভার ফেসিয়ালের সমকক্ষ আর কোন ফেসিয়াল নেই। এই ফেসিয়াল শুধু পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে না সেই সঙ্গে ব্ল্যাকহেডস দূর করে।

এলোভেরা ফেসিয়ালঃ

এলোভেরা জেলে অক্সিন আর গিবেরেলিন্স নামের ২ টি হরমোন আছে। এই ২টি হরমোন ব্রণের সমস্যা দূর করে, সানবার্ন সারিয়ে দেয়, সেই সঙ্গে বয়সের ছাপও চটপট লুকিয়ে ফেলে। শুষ্ক, তৈলাক্ত বা মিশ্র ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসে এই ফেসিয়াল করাতে পারেন। যাদের ত্বকে বিভিন্ন প্রকার দাগ আছে তারা এই ফেসিয়াল নিতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের জন্য এই ফেসিয়াল খুবই উপকারী। তবে স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ফেসিয়াল করা যাবে না। রোদে পোড়া ভাব দূর করতেও এটি সাহায্য করে।

হার্বাল ফেসিয়ালঃ

হারবাল ফেসিয়ালে প্রাকৃতিক উপাদান আছে তাই এটি যা সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী। এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ত্বকে লুকিয়ে থাকা ধূলো ময়লা, বিষাক্ত পদার্থ বের করে আনার ক্ষমতা রাখে। এই ফেসিয়ালের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, যদিনা কোন নির্দিষ্ট উপাদানের প্রতি আপনি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।

অ্যান্টি-রিংকেল ফেসিয়ালঃ

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের ত্বকের কানেকক্টিভ টিস্যুতে থাকা কোলাজেন এবং ইলাস্টিন দুর্বল হয়ে পড়ে ফলে ত্বকের টানটান ভাব কমতে থাকে। ফলশ্রুতিতে চামড়া কুঁচকে যাওয়া, ভাঁজ পড়া বা ঝুলে যাওয়া ইত্যাদি নানা সমস্যা তৈরী হয়। অ্যান্টি-রিংকেল ফেসিয়াল নিয়মিত অ্যাপ্লিকেশন আপনার ত্বকে মসৃণতা ফিরিয়ে আনবে।

স্কিন টাইটেনিং ফেসিয়ালঃ

ওজন হারানো, গর্ভাবস্থা বা বয়সজনিত কারণে আমাদের মুখের চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে তা ঝুলে পড়তে পারে। তবে বেশির ভাগের ক্ষেত্রে দেখা যায় বয়স বেড়ে যাওয়ার কারণেই ত্বক ঝুলে পড়ছে। ত্বকের নিয়মিত যত্ন নিলে ত্বকের ভাঁজ পড়ার প্রক্রিয়াটিকে একটু দেরি করানো যায়। বয়স বেড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের টানটান ভাব হারিয়ে ফেলে তা ধরে রাখতে স্কিন টাইটেনিং ফেসিয়াল খুবই উপকারী।

আইস কিউব ফেসিয়ালঃ

বরফ ত্বকের ব্লাড ফ্লো বাড়িয়ে দেয় কয়েকশো গুণ আর মলিন ত্বকে ছড়িয়ে দেয় গোলাপি আভা। আইস ত্বকের রন্ধ্রের সাইজ ছোট করে, ত্বকের হারানো জেল্লা ফিরিয়ে আনে, ত্বকের চুলকানি ও ফোলা ভাব কমায়, চোখের নীচের কালো দাগও দূর করে। আইস কিউব ফেসিয়াল করার জন্য বয়সের কোন ভেদাভেদ নেই। তবে যদি আপনার আ্যাজমার সমস্যা থেকে থাকে বা ঠান্ডাতে এলার্জি থেকে থাকে অবশ্যই এই ফেসিয়াল পরিহার করবেন।

এ্যারোমা ফেসিয়ালঃ

এ্যারোমা ফেসিয়াল বেশি উপযোগী বিয়ের কনেদের জন্য। অর্থাৎ যারা কিছু দিন পর বিয়ের কনে সাজতে যাচ্ছেন তাদের জন্য এই ফেসিয়াল উপযোগী এবং এই ফেসিয়াল সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফেসিয়ালঃ

যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য এই ফেসিয়াল খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এক ধরনের কেমিক্যাল যা সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব আর পলিউশানের কারণে চেহারার মলিন ভাব, মুখের দাগ ও বয়সের ছাপ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য বাড়িয়ে দেয় । এটি আন ইভেন টোন দূর করে গায়ের রঙ কে উজ্জ্বল করে। এটা লোমকূপ থেকে সব ময়লা বের করে আনে।

পিম্পেল ফেসিয়ালঃ

এই ফেসিয়াল তৈলাক্ত ত্বকের এবং ব্রণে আক্রান্তদের জন্য। বড় ছোট সবাই এটা করতে পারেন। এখানে ব্রণের প্রকোপ কমানোর জন্য বিভিন্ন মাস্ক ব্যবহার করা হয়। যাদের ত্বকে পিম্পেল আছে তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী। নিয়মিত মাসে ২ বার এই ফেসিয়াল করলে পিম্পেল আসতে আসতে কবে আসবে।

হোয়াইটেনিং ফেসিয়ালঃ

হোয়াইটেনিং ফেসিয়াল মুখের দাগ পরিস্কার করার পাশাপাশি মুখে সতেজ ভাব ফুটিয়ে তোলে। এমন আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে ফেসিয়ালে। হোয়াইটেনিং ফেসিয়ালের ফলে ত্বকে আসে এক অদ্ভুত সুন্দর আভা ও দ্যুতি আর মেক-আপের ভরিক্কি ভাব কমে যায়।

ফ্রুট ফেসিয়ালঃ

ফল আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। বিভিন্ন ফল বিভিন্ন ভিটামিনে ভরপুর। ফলের ফেসিয়াল-ও তেমনি আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী যাকে আমরা সাধারণত ফ্রুট ফেসিয়াল বলে থাকি। এই ফেসিয়ালে যে মিঙ্ড ফ্রুট ক্রিম ব্যবহার করা হয় যা সব ধরনের ত্বকের জন্য ভালো। বিশেষ করে ফ্রুট ফেসিয়াল ত্বকের গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে। ত্বক টান টান রাখে। একমাত্র ফ্রুট ফেসিয়ালই স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য উপযোগী।

কোলাজেন ফেসিয়ালঃ

কোলাজেন ফেসিয়ালে কোলাজেন প্রোটিন ব্যবহার করা হয় ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য। প্রাকৃতিক ভাবে উৎপন্ন কোলাজেন ভাঙতে শুরু করে আর ত্বকে বলিরেখা আর বয়সের ছাপ দেখা দিতে শুরু করে। কোলাজেন ফেসিয়ালের মাধ্যমে এই বয়সের ছাপ লুকিয়ে ত্বকে তারুণ্যের উজ্জ্বলতা দেখা দেয়।

এরোমাথেরাপি ফেসিয়ালঃ

ত্বকের স্বাভাবিক রক্ত চলাচল রাখা এবং ক্লান্তি দূর করতে এই ফেসিয়াল অত্যন্ত কার্যকর। এ ফেসিয়ালে এসেনসিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয়। এ এসেনসিয়াল অয়েল খুব দ্রুত আপনার ক্লান্তি দূর করবে এবং নার্ভকে শান্ত করবে। এই ফেসিয়ালে ম্যাসেজ করতে হবে ত্বকের কিছু নির্দিষ্ট প্রেশার পয়েন্টে।

স্কিন টাইটেনিং ফেসিয়াল
 

ওজন বাড়লে, গর্ভাবস্থা বা বয়সজনিত কারণে আমাদের মুখের চামড়ার  স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে ত্বক ঝুলে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। বয়স বেড়ে যাওয়ার  কারণে ত্বকের টানটান ভাব কমে যায়। এ ক্ষেত্রে স্কিন টাইটেনিং ফেসিয়াল খুবই উপকারী।


Wednesday, 6 September 2017

দারুণ মেকাআপের কিছু কৌশল।



১) ত্বক পরিষ্কার করা
প্রথমে মেকআপের জন্য ত্বককে তৈরি করুন। ভাল মানের ফেইস ওয়াস বা ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়েঁ ফেলুন। এতে আপনার মখের ময়লা সব চলে যাবে এবং মেকাআপ ভালভাবে মিশেয়ে যাবে আপনার ত্বকের সাথে।

২) ময়েশ্চারাজিং
হালকা কোন ময়েশ্চারাজিং ক্রিম বা লোশন দিয়ে কপাল,নাক,মুখ,চোখের চারপাশে ম্যসেজ করুন। ১৫/২০ মিনিট অপেক্ষা করুন যাতে লোশন বা ক্রিম ত্বকের সাথে মিশে যায়। ময়েশ্চারাজিং মেকআপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

৩) ফাউন্ডেশন
ত্বক পরিষ্কারের পর শুরু হবে মেকআপ পর্ব। পারফেক্ট মেকআপ শুরু হয় ভালো বেস দিয়ে। বেসের প্রথম শর্ত হল নিজের ত্বক অনুযায়ে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা। ফাউন্ডেশন নির্বাচন করতে হবে নিজের গায়ের শেড থেকে এক অথবা দুই শেড হালকা। হালকা রং ত্বককে উজ্জ্বল দেখাবে। শেডিং এর জন্য গাঢ় রং দরকার।আপনার ত্বকের শেড অনুযায়ে ওয়েল ফ্রী ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। তাহলে মেকআপ ভালো ভাবে বসবে। মুখ তৈলাক্ত হলে পাউডার ফাউন্ডেশন লাগান।

৪) কনসিলার
কনসিলার আপনার মুখের দাগ,চোখের নিচের কালি ঢেকে দেয়। নিজের স্কিনটোনের সাথে মিলিয়ে কনসিলার কিনতে হলে আপনার ফাউন্ডেশন থেকে অর্ধেক শেড হালকা থেকে শুরু করুন। ত্বকের ব্লেমিস বা কালোদাগ দূর করতে আপনার ফাউন্ডেশনের চেয়ে এক শেড হালকা তবে ব্ল্যাক আন্ডারটোনের কনসিলার ব্যবহার করুন। চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল থাকলে সবুজ বা হলুদ রঙের কনসিলার বেছে নিলে ভালো কাজ করবে।তবে আপনি যদি ব্রণের দাগ,চোখের নিচের কালো দাগ ফাউন্ডেশন দিয়ে ঢেকে দিতে পারনে তবে কনসিলার ব্যবহার না করলে ও হবে।

৫) ফেইস পাউডার
বড় মেকআপ ব্রাশ দিয়ে সম্পূণ মুখে ফেইস পাউডার ব্রাশ করুন। পাউডার পাফ অথবা ফেইস পাউডারের সাথে দেওয়া স্পঞ্জ দিয়ে হাল্কা করে বেইজের উপর বুলিয়ে বেইজ সেট করে নিন।

৬) চোখের মেকআপ
বেইজের পর আসে চোখ সাজানোর পালা।চোখের সাজে শুরুতে চোখের ওপরের পুরো জায়গায় আই প্রাইমার দিন। এরপর আইশ্যাডো দিতে হবে। ড্রেসের সাথে মিলিয়ে দুই বা তিন শেডের আইশ্যাডো দিতে পারেন। বাড়তি সৌন্দর্য যোগ করতে ব্যবহার করতে পারেন বাদামি আইশ্যাডো।

৭) ফলস ল্যাশেস
চোখ দুটোকে চটজলদি বড় আর মায়াবি করে ফেলতে কৃত্রিম পাপড়ি জুড়ি নেই। বাজারে নানা দৈর্ঘ্য ও ডিজাইনের কৃত্রিম পাপড়ি পাওয়া যায়।পছন্দ অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন যে কোন প্রকারের আই ল্যাশেস।

৮) আইলাইনার
এরপর আইলাইনার চোখের ওপরে বা নিচে দিতে হবে। লিকুইয়েড,জেল,পেন্সিল যেকোন প্রকারে আইলাইনার ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে আইলাইনারের বিকল্প হিসাবে কাজল ও ব্যবহার করতে পারেন।আইলাইনার চিকন করে আই ল্যাশসের উপর দিতে হবে।যদি আপনি মোটা করে আইলাইনার দিতে চান তবে প্রথম আইলাইনার শুকানোর পর আরেকবার দিতে পারেন।

৯) মাশকারা
আইলাইনারে পর মাশকারা দেওয়ার পালা।চোখ আকর্ষণীয় করার জন্য ঘন করে মাশকারা দিতে হবে। একবার মাশকারা দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে আবার মাশকারা দিন।মাশকারা দেওয়ার সময় চোখের ওপরের পাতা ওপরের দিকে উঠিয়ে দিতে হবে।পাতাগুলো যেন একটার সঙ্গে আরেকটা লেগে না যায়। আইব্রো পেনসিল দিয়ে ভ্রু এঁকে নিয়ে এরপর শুকনো মাশকারা ব্রাশ দিয়ে আঁচড়ে নেবেন।

১০) ভ্রু-র সাজ
ভ্রু-র সাজ়ে আইব্রো পেনসিল দিয়ে ভ্রু এঁকে নিয়ে এরপর শুকনো মাশকারা ব্রাশ দিয়ে আঁচড়ে নেবেন। ভ্রু কে ন্যাচারাল লুক দিতে চাইলে ভ্রু-র রঙ এর থেকে হালকা রঙ-এর আইশ্যাডো বেছে নিয়ে তা হালকা করে ভ্রু এর উপর বুলিয়ে নিন। এরপর সেই রঙ এর কাজল দিয়ে হালকা করে ভ্রু একেঁ নিন। এরপর আইব্রো ব্রাশ দিয়ে ভ্রু এর শেপ ঠিক করে নিন।

১১) লিপষ্টিক
লিপষ্টিক দেওয়ার আগে ঠোঁট ভাল করে পরিষ্কার করে নিন।এরপর হালকা করে লিপ বাম বা ভ্যাসলিন লাগান। ৫০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।ভ্যাসলিন বা লিপ বাম শুকিয়ে গেলে লিপিষ্টিক দিন। দিনে ঠোঁটের সাজ়ে ম্যাট লিপষ্টিক দিলে ভালো। রাতে ভারী লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন। লিপষ্টিক দীর্ঘক্ষণ ঠোঁটে রাখার জন্য প্রথমে লিপষ্টিক থেকে এক শেড গাঢ় লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট আঁকতে হবে। এতে লিপষ্টিক ছড়িয়ে পড়বে না । এবার টিস্যু দিয়ে চেপে নিতে হবে। হাতের কাছে পাউডার থাকলে পাউডার দিয়ে চাপ দিয়ে আবার লিপষ্টিকে লাগাতে হবে।

১২) ব্লাশন
পুরো সাজ শেষ হয়ে এলে ব্লাশন ব্যবহার করতে হবে।ব্লাশনের রং হিসাবে আপনি গোলাপি বা পিচ রং ব্যবহার করতে পারেন।উজ্জ্বল রং এর অধিকারীরা হালকা শেডের ব্লাশন আর শ্যামলা বা তার থেকে গাঢ় রঙের ত্বকের জন্য গাঢ় শেডের ব্লাশন ব্যবহার করতে পারেন।

Tuesday, 5 September 2017

সকল প্রকার সেলাই মাপ বাচ্চাদের জামা,মেয়েদের কামিজ,মেয়েদের সালোয়ার

. বাচ্চাদের পরার জামা
জণ্মের পর থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা যে পোশাক ব্যবহার করে তাকে জামা বলে। জামা নানা ধরনের নকশা করে বানানো যায়। যেমন-গলায় বা ঝুলে কুচি দিয়ে অথবা কুচি ছাড়া। জামা সাধারণত পাতলা কাপড় দিয়ে বানানো হয় যা দুই হাত থেকে আড়াই হাত বহরের হয়। এখন আমরা জানব ২ বছর বয়সের একটি শিশু পরতে পারবে এমন একটি কুচি ছাড়া জামা কিভাবে তৈরি করতে হবে:
প্রথমে বলা যাক দুই বছর বয়সী শিশুর জামার আনুমানিক সাইজ কেমন হবে। এক্ষেত্রে-
  • জামার ঝুলের মাপ হবে ১৬ ইঞ্চি
  • জামার বুকের মাপ হবে ২০ ইঞ্চি
  • জামার কাঁধের মাপ হবে ঌ ইঞ্চি
  • জামার গলার লম্বার মাপ হবে ২১/২ ইঞ্চি
  • জামার গলার চওড়ার মাপ হবে ২ ইঞ্চি

কিভাবে জামার জন্য নির্ধারিত কাপড়টি কাটতে হবে নিয়মগুলো হলঃ
  • জামা বানানোর জন্য প্রথমে ২ হাত বহরের (আনুমানিক/মনে করি) আধা গজ কাপড় নিতে হবে।
  • এই কাপড়টি আড়াআড়িভাবে ৪ ভাঁজ করতে হবে।
  • ১৬ ইঞ্চি ঝুল রাখার জন্য কাপড়টি লম্বায় ১৭ ইঞ্চি ও চওড়ায় ৮ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত ১ ইঞ্চি কাপড় লাগবে ঝুল মুড়ে সেলাই করার জন্য।
  • এবার কাপড়ের যেদিকে ভাঁজের লাইন আছে সেদিক থেকে গলা কাঁটার জন্য আড়াই ইঞ্চি ও আওড়ার জন্য দুই ইঞ্চি মাপ নিতে হবে। এটা হল গলার আদর্শ মাপ। প্রয়োজন বা পছন্দমত গলা আরও বড় করা যাবে।
  • এবার এই মাপমত গলার লম্বা ও চওড়ার দিকে দাগ টেনে দিতে হবে।
  • এরপর গলার লম্বা ও চওড়ার দাগ যেখানে মিলেছে ঠিক সেখান থেকে ভিতরের দিকে আধা ইঞ্চি মেপে একটি দাগ দিতে হবে। তারপর এই দাগের উপর দিয়ে নিমার পিছনের গলার মাপ দিতে হবে।
  • জামার পিছনের গলার থেকে সামনের গলা কমপক্ষে আধা ইঞ্চি বেশি কাটতে হয়। এজন্য পিছনের গলার মত সামনের গলা একইভাবে আরও আধা ইঞ্চি বেশি মেপে বাঁকাভাবে দাগ দিতে হবে।
  • এরপর (যেদিক থেকে গলার মাপ নেয়া হয়েছে সেদিক থেকে) গলার দিক থেকে কাপড়ের চওড়ার দিকে সাড়ে চার ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে। এটা হল কাঁধলাইনের মাপ।
  • কাঁধলাইনের শেষ মাথা থেকে নিচের দিকে আধা ইঞ্চি মেপে দাগ দিয়ে এই দাগের সাথে গলার দাগ যোগ করে একটি লাইন টানতে হবে।
  • আবার কাঁধলাইনের উপর দিক থেকে নিচের দিকে ৫ ইঞ্চি (নিমার কাঁধ ঌ ইঞ্চি, ঌ ইঞ্চির অর্ধেক সাড়ে চার ইঞ্চি আর সেলাইয়ের জন্য আধা ইঞ্চি বেশি নিতে হবে) মেপে দাগ দিতে হবে।
  • কাপড়ের ভাঁজলাইন থেকে চওড়ার দিকে বুকলাইনের জন্য সাড়ে ছয় ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে।  কারণ এই নিমার বুকের চওড়ার মাপ হল ২০ ইঞ্চি, ঢিলার মাপ  চার ইঞ্চি, আর দুই পাশের সেলাইয়ের জন্য কাপড় বেশি লাগবে ২ ইঞ্চি। তাহলে মোট ২৬ ইঞ্চি কাপড় কাটতে হবে। এখানে কাপড়টি চার ভাঁজ করা হয়েছে। এই নিমার বুক ২০ ইঞ্চি যার ৪ ভাগের ১ ভাগ হল ( ৫ ইঞ্চি + ঢিলা ১ ইঞ্চি + সেলাই ১/২ ইঞ্চি) = ৬১/২ ইঞ্চি।
  • তারপর এই দাগ দুটি যেখানে মিলেছে তার উপরের দিকে ১ ইঞ্চি মেপে একটি দাগ দিতে হবে। এবার এই দাগের উপর দিয়ে নিমার পিছনের বগলের ঘের হিসেবে দাগ দিতে হবে। একইভাবে নিমার সামনের বগলের জন্য প্রথম বাঁকা দাগের পিছনের দিকে আধা ইঞ্চি বেশি নিয়ে বাঁকা করে দাগ দিতে হবে।
  • আবার বগলের ঘেরের শেষ মাথা থেকে ঝুল পর্যন্ত দাগ দিতে হবে।
  • এরপর নিমার ঝুলের ২ কোণার সেপের জন্য ঝুলের দিক থেকে উপরের দিকে ১ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে।
  • এরপর ঐ দাগ থেকে নিমার ঝুলের মাঝখান পর্যন্ত বাঁকা করে দাগ দিতে হবে।
  • এরপর পিছনের গলার অংশটুকু বাঁকা করে কাটতে হবে।
  • তারপর কাঁধে লাইন কাটি। সেইসাথে পিছনের বগলের ঘেরের অংশটুকুও বাঁকা করে কাটতে হবে।
  • এবার জামার পাশের ঘেরের অংশটুকু কাটতে হবে। তারপর ঝুলের নিচের দাগ দেওয়া অংশটুকু কাটতে হবে।
  • এবার উপর থেকে দাগ দেওয়া কাপড়ের টুকরাটি নিয়ে নিতে হবে। একইভাবে সামনের অংশের গলা ও বগলও কেটে ফেলতে হবে।

এবার কিভাবে কাপড়টি জামার মত করে সেলাই করতে হবে তা জানা দরকার। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ
  • প্রথমে কাটা জামার একটি ভাঁজ খুলে একটি অংশের উপর আরেকটি অংশ রাখতে হবে।
  • এরপর একে একে নিমার দুই কাঁধ সেলাই করতে হবে।
  • এরপর গলা ও হাতা সেলাই করতে হবে।
  • এরপর জামার লম্বার (ঘের) দুই পাশ সেলাই করতে হবে।
  • তারপর জামার ঝুলের অংশ সেলাই করতে হবে।
  • এবার জামাটি উল্টিয়ে নিতে হবে। এভাবেই ধাপে ধাপে একটি জামা তৈরি হয়ে যাবে।

সুবিধার জন্য বয়স অনুযায়ী জামার কয়েকটি সাইজের আদর্শ মাপগুলো নিচে দেওয়া হলোঃ





 মেয়েদের পরার কামিজ
যে কোন বয়সের মহিলারাই এখন কামিজ ব্যবহার করে থাকে। আজকাল দেখা যায় ছোট ছোট বাচ্চারাও এই পোশাক ব্যবহার করে। সুতি, সিল্ক, জর্জেট ইত্যাদি যেকোনো ধরনের কাপড় দিয়ে কামিজ বানানো যায় যার সাথে সালোয়ার বলে আরেকটি পোশাকও পরতে হয়। প্রথমে কামিজ ও তারপর সালোয়ার কিভাবে তৈরি করতে হবে তা আলোচনা করা হবে। প্রথমে জানা যাক ১৫-২০ বছর বয়সের একটি মেয়ে পরবে এরকম দুই হাত, আড়াই হাত বা তিন হাত বহরের একটি কামিজের মাপ কি হবে, কিভাবে তা কাটতে হবে এবং কিভাবে কাটা কাপড়টি সেলাই করতে হবে। প্রথমে বলা যাক ১৫-২০ বছর বয়সী মেয়ের কামিজের আনুমানিক সাইজ কেমন হবে। এক্ষেত্রে-
  • কামিজের ঝুলের মাপ হবে ৪৮ ইঞ্চি
  • কামিজের বুকের মাপ হবে ৩৬ ইঞ্চি
  • কামিজের কাঁধের মাপ হবে ১৬ ইঞ্চি
  • কামিজের নিচের ঘেরের মাপ হবে ৪২ ইঞ্চি
  • কামিজের গলার লম্বার মাপ হবে ৫ ইঞ্চি
  • কামিজের গলার চওড়ার মাপ হবে ২১/২ ইঞ্চি
  • কামিজের কোমরের মাপ হবে ৩০ ইঞ্চি
  • কামিজের হাতার মুহুরীর মাপ হবে ১২ ইঞ্চি
  • কামিজের হাতার লম্বা হবে ১১ ইঞ্চি
  • কামিজের হাতার চওড়ার মাপ হবে ১৬ ইঞ্চি
  • কামিজের হিপের মাপ হবে ৪০ ইঞ্চি

এখন কিভাবে কামিজের জন্য নির্ধারিত কাপড়টি কাটতে হবে তার নিয়মগুলো হল:
  • প্রথমে আড়াই হাত বহরের (ধরে নেই) আড়াই গজ কাপড় নিতে হবে। কাপড়টিকে আড়াআড়িভাবে চার ভাঁজ করতে হবে।
  • এরপর ৪৮ ইঞ্চি ঝুল রাখার জন্য কাপড়টি লম্বায় ৪ঌ ইঞ্চি ও চওড়ায় ১১ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে। মনে রাখবেন, অতিরিক্ত ১ ইঞ্চি কাপড় লাগবে ঝুল মুড়ে সেলাই করার জন্য।
  • এবার নিমার মত একইভাবে কাপড়ের ভাঁজ লাইনের দিক থেকে গলার মাপ নিতে হবে। সামনের গলার জন্য লম্বার মাপ নিয়ে দাগ ৫ ইঞ্চি আর চওড়ায় মাপ নিয়ে ২১/২ ইঞ্চি দাগ দিতে হবে।
  • লম্বা ও চওড়ার মাপ যেখানে মিলেছে সেখান থেকে ভিতরের দিকে ১/২ ইঞ্চি মেপে ছোট একটি দাগ দিতে হবে।
  • এবার এই দাগের উপর দিয়ে বাঁকা করে দাগ দিতে হবে যা হবে সামনের গলার মাপ।
  • কামিজের পিছনের গলার জন্য লম্বার মাপ নিয়ে দাগ দিতে হবে ৩ ইঞ্চি। এরপর আগের মত একইভাবে নিচের দিকে বাঁকা করে দাগ দিতে হবে। মনে রাখবেন, সামনের গলা সবসময় কমপক্ষে ১ ইঞ্চি বেশি কাটতে হয়।
  • এবার গলার দিক থেকে কাপড়ের চওড়ার দিকে ৮ ইঞ্চি লম্বা মেপে দাগ দিতে হবে যা হবে কাঁধলাইন।
  • আগের মত কাঁধলাইনের শেষ মাথা থেকে নিচের দিকে ১/২ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে। এবার এই দাগের সাথে গলার দাগ যোগ করে একটি লাইন টানতে হবে।
  • তারপর কাঁধলাইনের উপর দিক থেকে নিচের দিকে ৮১/২ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে। এই মাপ নেওয়ার নিয়ম হচ্ছে- (কাঁধের অর্ধেক ৮ ইঞ্চি + সেলাইয়ের জন্য বেশি নিতে হবে ১/২ ইঞ্চি)= মোট ৮১/২ ইঞ্চি৷
  • এখন কাপড়ের ভাঁজলাইন থেকে চওড়ার দিকে ১১ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে। এটা হল বুকলাইনের মাপ। এই কামিজের বুকের মাপ হচ্ছে ৩৬ ইঞ্চি যার ৪ ভাগের ১ ভাগ (ঌ ইঞ্চি + ঢিলা ১ ইঞ্চি + ১ ইঞ্চি সেলাই) = ১১ ইঞ্চি।
  • তারপর একটি দাগ টেনে বুকলাইন ও কাঁধলাইন যোগ করতে হবে। এই ২টি দাগ যেখানে মিলেছে তার সামনের দিকে ১ ইঞ্চি মেপে একটি ছোট দাগ দিতে হবে।
  • এবার বাঁকা করে কামিজের পিছনের বগলের ঘেরের মাপ হিসেবে দাগ দিতে হবে।
  • একইভাবে কামিজের সামনের বগলের জন্য প্রথম বাঁকা দাগের পিছনের দিকে ১/২ ইঞ্চি মেপে বাঁকা করে দাগ দিতে হবে।
  • এবার কোমরের সেপের জন্য মাপ নিতে হবে। এজন্য কাঁধ থেকে ঝুলের দিকে লম্বায় ১৪ ইঞ্চি ও চওড়ায় ৮ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে।
  • এবার হিপের সেপের জন্য কাঁধলাইন থেকে হিপ (কোমরের নিচের অংশ) পর্যন্ত ১২ ইঞ্চি লম্বা আর চওড়ায় ১০ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে।
  • তারপর কাঁধলাইন থেকে ঝুল পর্যন্ত লম্বায় ৪৮ ইঞ্চি আর কামিজের ঝুলের ঘেরের জন্য চওড়ায় ১১ ইঞ্চি মাপ নিয়ে দাগ দিতে হবে।
  • এবার বগলের শেষ মাথা থেকে বুকের দাগ পর্যন্ত (যেখানে ৮ ইঞ্চি চওড়া মেপে দাগ দেওয়া হয়েছে) বাঁকাভাবে দাগ টেনে দিতে হবে।
  • এরপর ঐ বাঁকা দাগের শেষ মাথা থেকে হিপ পর্যন্ত (যেখানে ১০ ইঞ্চি চওড়া মেপে দাগ দেওয়া হয়েছে) বাঁকাভাবে দাগ দিতে হবে।
  • এরপর হিপ থেকে ঝুল পর্যন্ত (যেখানে ১১ ইঞ্চি চওড়া মেপে দাগ দেওয়া হয়েছে) দাগ দিতে হবে। এবার নিমার মত কামিজের পিছনের গলা, কাঁধলাইন ও বগল কাটতে হবে।
  • এরপর বগল থেকে ঝুল পর্যন্ত দাগ অনুযায়ী কাটতে হবে।
  • এই কামিজের দুইটি অংশ আছে। সেজন্য উপর থেকে দাগ দেওয়া কাপড়টি নিয়ে নিমার মত একইভাবে সামনের অংশের গলা ও বগল কাটতে হবে।
  • কামিজ কাটার কাজ শেষ হবার পর কামিজের হাতার মাপ নিতে হবে। এজন্য অবশিষ্ট কাপড়টি ৪ ভাঁজ করতে হবে। এই কাপড় থেকে হাতার লম্বার মাপ  ১১ ইঞ্চি আর চওড়ার মাপ  ৮১/২ ইঞ্চি নিতে হবে।
  • এবার হাতার বগল কাটার জন্য মাপ নিতে হবে। এজন্য কাপড়ের লম্বার দিক থেকে ৩১/২ ইঞ্চি মাপ নিয়ে দাগ দিতে হবে।
  • এবার বগলের সেপের জন্য ছবির মত বাঁকা করে দাগ দিতে হবে।
  • গলা ও বগলের মত হাতার সামনের অংশের জন্য পৌনে এক ইঞ্চি বেশি কাটতে হয়। সেজন্য ঐ বাঁকা দাগের মাঝখান থেকে পিছনের দিকে পৌনে এক ইঞ্চি মেপে ছোট দাগ দিয়ে তার উপর দিয়ে বাঁকা করে আরেকটি দাগ দিতে হবে।
  • এবার ভাঁজলাইনের দিক থেকে হাতার ঘেরের জন্য ৬ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে। এই কাপড়টি কাটলে দুটি হাতা পাওয়া যাবে।
  • এবার কাপড়ের ভাঁজলাইনের দিক থেকে প্রথম বাঁকা দাগের উপর দিয়ে বগল কাটতে হবে।
  • এরপর বগল থেকে হাতার মুহুরী পর্যন্ত দাগের উপর দিয়ে কাটতে হবে। এখানে দুটি হাতা একই সাথে আছে। এবার গলা ও বগলের অংশের মত দুই হাতার সামনের অংশ একইসাথে কাটতে হবে।

এবার কিভাবে কাপড়টি কামিজের মত করে সেলাই করতে হবে তা জানা দরকার। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ
  • প্রথমে কামিজের ২ কাঁধ ১/২ ইঞ্চি চওড়া করে সেলাই করতে হবে।
  • এরপর ১/২ ইঞ্চি চওড়া করে কামিজের দুই পাশ সেলাই করতে হবে। কামিজের দুই পাশের যে অংশটুকু খোলা রাখতে চান ঐ অংশটুকু সেলাই ছাড়া রাখতে হবে।
  • এবার কামিজের ২ হাতার মুহুরী সেলাই করতে হবে।
  • কামিজের দুই হাতার লম্বার দিকে সেলাই করতে হবে।
  • সেলাই করা কামিজটি হাত দুটোসহ সোজা করে নিতে হবে। কামিজের বগলের ভিতর দিয়ে হাতাটা এমনভাবে ঢুকিয়ে দিতে হবে যেন কামিজের বগলের উপর হাতার বগল থাকে। এরপর কামিজের বগলের সাথে হাতের বগল সেলাই করে জোড়া দিতে হবে।
  • এরপর কামিজের হুক লাগাতে হয় অথবা হুক ছাড়াও রাখা যায়। হুক না দিলে কামিজের গলা দিয়ে মাথা ঢুকবে এরকম বড় গলা করতে হয়।
  • এবার গলা সেলাইয়ের জন্য কোণাকুণিভাবে কয়েক টুকরা কাপড় কাটতে হবে। এই কাপড়ের টুকরাগুলো সেলাই করে জোড়া দিতে হবে।
  • এরপর কামিজের গলার সাথে টুকরা কাপড় সেলাই করে জোড়া দিতে হবে। কামিজে নিচের ঘের বা মুহুরীও সেলাই করতে হবে।
  • এরপর কমিজের দুই পাশে খোলা অংশটুকু ১ ইঞ্চি ভাঁজ করে সেলাই করতে হবে। এভাবেই ধাপে ধাপে কামিজটি তৈরি হয়ে যাবে।

সুবিধার জন্য নানা বয়স অনুযায়ী কামিজের কয়েকটি সাইজের আদর্শ মাপ নিচে দেওয়া হলোঃ
 





 মেয়েদের পরার সালোয়ার
সালোয়ার পোশাকটি সাধারণত মেয়েরাই বেশি ব্যবহার করে থাকে। যেকোনো সালোয়ারেরই দুটি অংশ থাকে। যেমনঃ

১. কোমরের অংশ যাকে কোমর পট্টি বলে।
২. কোমরের নিচের অংশ যাকে পায়ের অংশ বলে।

সালোয়ারের প্রতিটি পায়ে আবার ৩টি অংশ থাকে। একটি হলো মধ্য অংশ যার দুই পাশে কলির দুটি অংশ জোড়া দিতে হয়। সালোয়ারের পায়ের মধ্য অংশের দুই পাশে দুই টুকরা কাপড় থাকে। এই দুই টুকরা কাপড়কে কলি বলে। এখন আমরা ১৫-২০ বছর বয়সের একটি মেয়ে পরতে পারবে এমন একটি সালোয়ার কিভাবে তৈরি করতে হবে তা আলোচনা করবোঃ

প্রথমে বলা যাক ১৫-২০ বছর বয়সী মেয়ের সালোয়ারের আনুমানিক সাইজ কেমন হবে। এক্ষেত্রে-

ঝুল ৪০ ইঞ্চি
কোমর পট্টির লম্বা ৭ ইঞ্চি ও চওড়া ৪০ ইঞ্চি
কোমরের নিচের অংশের লম্বা ৩৩ ইঞ্চি ও চওড়া ২০ ইঞ্চি
কোমর- ৪০ ইঞ্চি
হাই- ১৫ ইঞ্চি
হিপ- ৪০ ইঞ্চি
মুহুরী- ১৮ ইঞ্চি

এখন কিভাবে সালোয়ারের জন্য নির্ধারিত কাপড়টি কাঁটার নিয়মগুলো জেনে নেই:

  • সালোয়ার বানানোর জন্য প্রথমে আড়াই হাত বহরের (ধরে নেই) ২ গজ কাপড় নিতে হবে। কাপড়টিকে লম্বালম্বিভাবে ৪ ভাঁজ করতে হবে।
  • ভাঁজ করা এই কাপড় থেকে প্রথমে কোমর পট্টির কাপড় কেটে নিতে হবে। এই কাপড়টি লম্বায় হবে ৭ ইঞ্চি। আর কোমর পট্টি ৭ ইঞ্চি রাখার জন্য কাপড় কাটতে হবে লম্বায় ঌ ইঞ্চি আর চওড়ায় ১০ ইঞ্চি। এখানে কোমর পট্টি হবে (৭ ইঞ্চি + কোমরের ভাঁজ ১১/২ ইঞ্চি + সেলাই ১/২ ইঞ্চি) = মোট ঌ ইঞ্চি।
  • এরপর এই কাপড় থেকেই সালোয়ারের ২ পায়ের মধ্য অংশের জন্য ২ টুকরা কাপড় কাটতে হবে। সালোয়ারের মধ্য অংশের লম্বা ৩৩ ইঞ্চি আর চওড়া ২০ ইঞ্চি হবে (সালোয়ারের মধ্য অংশের চওড়ার মাপ হবে হিপের মাপের অর্ধেক)।
  • কাপড়টির ৪ ভাঁজ থেকে একটি ভাঁজ খুলতে হবে। তাহলে কাপড়টি ২ ভাঁজ হবে। এবার কলির কাপড় কাটতে হবে। এক্ষেত্রে সালোয়ারের ২ পায়ের জন্য ৪ টুকরা লাগে। এই অংশের লম্বা হবে ৩৩ ইঞ্চি আর চওড়া হবে ২০ ইঞ্চি। চওড়ার মাপ নেওয়ার নিয়ম হচ্ছে হিপের মাপের অর্ধেক দিতে হবে।
  • এই কাপড়টি দুই ভাগ করে দাগ দিতে হবে। এমনভাবে দাগ দিতে হবে যেন কাপড়ের উপরের দিকে বামপাশে ১৮ ইঞ্চি ও ডানপাশে ২ ইঞ্চি থাকে। আর এই কাপড়ের নিচের দিকে ডানপাশে ১৮ ইঞ্চি থাকে আর বামপাশে ২ ইঞ্চি থাকে। এখন মাঝের দাগ থেকে এই কাপড়টিকে কোণাকুণিভাবে সমান দুই ভাঁজ করতে হবে।
  • এবার মাঝখানের ভাঁজ বরাবর কাপড় কেটে নিতে হবে। কাটার পর কাপড়টি তিন টুকরা হবে যেখানে এক টুকরা থাকবে দু ভাঁজ করা। ভাঁজ করা কাপড়টি পরে সমান দুই টুকরা করতে হবে।
  • কোণাকুণিভাবে কাটা কাপড়ের একটি অংশের উপর আরেকটি অংশ এমনভাবে রাখতে হবে যেন কাপড়ের চওড়ার পাশ (১৮ ইঞ্চি দাগ দেওয়া) চওড়ার দিকে থাকে। আর চিকন পাশ (২ ইঞ্চি দাগ দেওয়া) চিকন দিকে থাকে।
  • এই কাপড়ের যেদিকে ১৮ ইঞ্চি আছে সেদিক থেকে লম্বায় ৮ ইঞ্চি মেপে দাগ দিতে হবে।
  • এবার এই দাগের নিচের দিক থেকে (৮ ইঞ্চি দাগ দেওয়া দিক) সামান্য বাঁকা করে দাগ দিতে হবে। এই অংশটা হল সালোয়ারের হাই।
  • এবার এই দাগের উপর দিয়ে সামান্য বাঁকা করে কাটতে হবে। এরপর আগের দু ভাঁজ করা কাপড়ের টুকরাটি নিতে হবে। ভাঁজের উপর দিয়ে টুকরোটি কেটে কাপড় সমান করে দুই টুকরা করতে হবে। তাহলে কাটা অংশে মোট ৪টি টুকরা হবে।
     
এবার কিভাবে কাপড়টি সালোয়ারের মত করে সেলাই করতে হবে তা জানা দরকার। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ
  • সালোয়ারের ২ পায়ের মধ্য অংশের জন্য ২ টুকরা কাপড় কাটা আছে। এখান থেকে ১ টুকরা কাপড় নিতে হবে।
  • এই কাপড়ের দুই দিকে কলির ২টি অংশ একে একে সেলাই করে জোড়া দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, জোড়া দেওয়ার সময় কলির চওড়ার দুই দিক থাকবে উপরের দিকে আর চিকন দুই দিক থাকবে নিচের দিকে।
  • এবার সালোয়ারের পায়ের মুহুরীর জন্য ১৮ ইঞ্চি লম্বা ও ১১/৪ ইঞ্চি চওড়া করে দুই টুকরা বকরম কেটে নিতে হবে।
  • এরপর অবশিষ্ট কাপড় থেকে ১৮ ইঞ্চি লম্বা ও ১১/৪ ইঞ্চি চওড়া করে কাপড় কেটে নিতে হবে। কাটা ঐ টুকরা কাপড় থেকে এক টুকরা কাপড় নিয়ে তার উপর এক টুকরা বকরম রাখতে হবে। তারপর তা সেলাই করে জোড়া দিতে হবে।
  • এবার সালোয়ারের পায়ের সোজা পাশের মুহুরীর দিকে সেলাই করা টুকরোটি এমনভাবে রাখতে হবে যেন বকরমটি উপরের দিকে থাকে। এবার সালোয়ারের পায়ের সাথে তা সেলাই করে জোড়া দিতে হবে।
  • সেলাইয়ের পর সালোয়ার উল্টিয়ে নিতে হবে। তাহলে বকরমটি পায়জামার পায়ের ভিতরের দিকে থাকবে। এবার সালোয়ারের পায়ে পছন্দমত নকশা করে সেলাই করতে হবে।
  • তারপর পায়ের মুহুরী থেকে হাই পর্যন্ত সেলাই করে জোড়া দিতে হবে। একইভাবে সালোয়ারের আরেকটি পা সেলাই করতে হবে।
  • এখন একটি পায়ের হাই -এর উপর আরেকটি পায়ের হাই-এর অংশ রাখতে হবে। এরপর তা সেলাই করে জোড়া দিতে হবে।
  • তারপর কোমরপট্টি ১১/২ ইঞ্চি ভাঁজ করে সেলাই করতে হবে। সেলাইয়ের পর এই অংশে ফিতা ঢুকানোর জন্য সামান্য একটু জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে।
  • এবার সালোয়ারের পায়ের অংশের কোমরের দিকের কোমরপট্টির নিচের অংশ সেলাই করে জোড়া দিতে হবে। এখন সালোয়ারটি উল্টিয়ে দিলেই তা তৈরি হয়ে যাবে।

সুবিধার জন্য বয়স অনুযায়ী সালোয়ারের কয়েকটি সাইজের আদর্শ মাপ নিচে দেওয়া হলোঃ





সবশেষে বলা যায়, এভাবে শার্ট, প্যান্ট, ব্লাউজ, শিশুদের জামা ইত্যাদি অনেক কিছু তৈরি করা যায়। তবে মনে রাখা দরকার, বয়স অনুযায়ী যেকোনো পোশাক তৈরি করার সময় কাপড় কাটার সাইজ বা পরিমাপও ভিন্ন হবে। যেমন- ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সের ছেলেদের হাফ হাতা শার্টের আনুমানিক সাইজ হবে নিচের মাপ অনুযায়ীঃ
  • কাপড়ের পরিমাণ ২ গজ
  • ঝুলের মাপ হবে- ৩০ ইঞ্চি
  • বুকের মাপ হবে- ১২ ইঞ্চি
  • কাঁধের মাপ হবে- ২০ ইঞ্চি
  • গলার লম্বার মাপ হবে- ১৪১/২ ইঞ্চি
  • গলার চওড়ার মাপ হেব- ৩১/২ ইঞ্চি
  • পকেটের মুখের মাপ হবে- ৫ ইঞ্চি
  • হাতের লম্বার মাপ হবে- ১১ ইঞ্চি
  • হাতের চওড়ার মাপ হবে- ১৬ ইঞ্চি


Saturday, 5 August 2017

Android ফোনে Pattern / Password ভূলে গেলে লক খোলার উপায়।

এ পদ্ধতিতে আপনার ফোনের External Memory অর্থাৎ মেমোরি কার্ডের তথ্য বাদে অন্য সকল তথ্য হারাতে হবে। কারণ আপনার ফোনে ফ্যাক্টোরি রিস্টোর দিতে হবে। এতে আপনার পুরো মোবাইল/ট্যাপ ফরমেট নিয়ে নিবে। Install করা Software, নাম্বার বা মেসেজ কিছুই থাকবে না। দেখি নিই কিভাবে  ফ্যাক্টোরি রিস্টোর দিতে হয়ে……

এজন্য প্রথমে আপনার মোবাইল ফোনটির বা ট্যাবের সুইচ অফ করে নিতে হবে। এরপর ডিভাইসটি চালু করার সময় Power button + Volume up অথবা Power button + Volume Down button একসাথে চেপে ধরে ডিভাইসটি অন করুন। এটা আপনাকে রিকোভারী মুডে নিয়ে যাবে। 



বিভিন্ন কম্পানির ডিভাইসে এই পদ্ধতি বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে, তাই এটা কাজ না করলে নিচেরগুলো ট্রাই করুন।

       1. Volume Down+ Volume Up+ Power button.

       2. Volume Down+ Power button.

       3. Volume Up+ Power button.

       4. Volume Up+ Camera button.

       5. Volume Up+ Home+ Power button.

       6. Home+ Camera button.

       7. Home+ Power button.

উপরের যে কোন একটি কম্বিনেশন অবশ্যই কাজ করবে বলে আশা করি। এই কম্বিনেশন দিয়ে ডিভাইস অন করার পর রিকোভারী মুড-এ যাবেন সেখানে “wipe data/ factory reset/ factory format/backup data/ restore data/ reboot system”  কম্পানি ভেদে এজাতীয় যে কোন কিছু লেখা দেখা যাবে, তা সিলেক্ট করুন। (মনে রাখবেন এখানে টাচ কাজ করবে না, এজন্য আপনাকে ভলিউম আপ ডাউন বাটনের সাহায্য নিতে হবে।) সিলেক্ট করার পর ইয়েস এবং নো অফশন থেকে “ইয়েস” সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার জন্য ব্রান্ডভেদে হোম বাটন/ পাওয়ার বাটন কাজ করতে পারে। সবশেষে সেটটি reboot করুন, এবং কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। আমি মনে করি এই পদ্ধতি অনুশরণের মাধ্যমে আপনার মোবাইলের পাসওয়ার্ড বা প্যাটার্ন লক খুলতে পারবেন।

আপনি না পারেন তাহলে কোথাও থেকে আপনার ডিভাইসটিতে ফ্লাশ দিয়ে নিন।

Friday, 4 August 2017

ফিল্মমেকিং সিনেমাটোগ্রাফি ফান্ডামেন্টালস এন্ড প্রো হাই ডেফিনিশন ক্যামেরা অপারেশন


এখন পর্যন্ত সিনেমাটোগ্রাফি বলতে এককথায় প্রচলিত মুভি ক্যামেরাকে বোঝানো হয়।আগামি আরো অনেক বছর মেইনস্ট্রিম মুভি ইন্ডাস্ট্রি ৩৫ মিমি'র মুভি ক্যামেরা দিয়ে চলবে বলে আমরা বিশ্বাস করি ।মুভি ক্যামেরার নিজের দামই অনেক।তার উপর র' স্টকের দাম,এডিটিং মেশিনে কাজ করা,ডেভেলপ করার খরচ ইত্যাদি সব মিলিয়ে এটা নতুনদের জন্য প্রায় দুঃস্বপ্ন।

টেকনোলজি এই সমস্যার কিছুটা সমাধান করেছেন।প্রো হাই ডেফিনিশন ক্যামেরাকে এখন মোটামুটি সহজলভ্য বলা যায়।দেড় হাজার থেকে দশ হাজার ডলারের মধ্যে যে ক্যামেরাগুলি পাওয়া যায় তাতে ঠিকঠাকমত কাজ করতে পারলে যথেষ্ট ভাল প্রডাকশন নামানো সম্ভব।এর আরো বড় সুবিধা হচ্ছে ব্যক্তিগত কম্পিউটারে নিজে নিজেই এডিটিং এর কাজ করা যাচ্ছে আর ডেভেলপের খরচ বলতে কিছু নাই।

ক্যামেরা অপারেট করার টেকনিকে যাওয়ার আগে কিছু বেসিক বিষয় জানিয়ে শুরু করা যাক

সব হাই ডেফিনিশন ক্যামেরার মূল কাজের ধারা মোটামুটি একই।এর মধ্যে কিছু মুভি ক্যামেরার কনসেপ্ট থেকেই নেয়া হয়েছে।কিছু আবার ডিজিটাল ক্যামেরার নিজস্ব সংযুক্তি।দামের উপর নির্ভর করে সব ক্যামেরাতে সব অপশন নাও থাকতে পারে।কোন নির্দিষ্ট অপশন আপনার ক্যামেরাতে না থাকলে ধরে নিবেন যে ক্যামেরা সেই অপশনটার একটা অটো মান নিজেই সেট করে নিয়েছে (সেই অটো ভ্যালুটা খুব একটা ভাল আউটপুট দেয় না)।থাকুক বা না থাকুক,এখানে আলোচ্য সবগুলি ফিচারই ভালমত জেনে রাখুন।সারাজীবন নিশ্চয়ই একই ক্যামেরা ইউজ করবেন না।

> ধরে নেয়া হচ্ছে যে ক্যামেরা চালু করার আগেই সেটের লাইট একদম ফাইনাল করা আছে।বাস্তবে লাইট আর ক্যামেরা সেটিং প্যারালাল চলতে থাকে।লাইট সেটিংসের সময় ফ্রেমটা ক্যামেরাতে বার বার দেখে নিতে হয় কারন এন্ড অফ দ্য ডে লাইটটাকে ক্যামেরার লেন্স দিয়েই দেখা হবে।

> প্রো ডিজিটাল ক্যামেরা সাধারনত তিন ধরনের মিডিয়ামে ছবি ধারন করে।মিনিডিভি টেপ,হার্ড ড্রাইভ (খুব কমন না) আর মেমরি কার্ড।আমি এই তিনটার আউটপুটের কোয়ালিটিতে তেমন কোন পার্থক্য দেখি না।হয়ত আছে,আমার চোখে ধরা পড়ে না।টেপ আজকাল প্রায় উঠে যাচ্ছে কিন্তু আমি টেপ পছন্দ করি কারন এগুলি দামে সস্তা বলে একসাথে ডজন খানেক নিয়ে লোকেশনে যাওয়া যায় এবং কখনোই শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না।প্রতিটা টেপ ৬৩ মিনিট ধারন করে এবং অসংখ্যবার ব্যবহার করা যায়।টেপের ভিডিওকে এডিটেবল ক্লিপে কনভার্ট করতে একটু বেশি সময় লাগে।মেমরি কার্ড প্রচুর এক্সপেন্সিভ।একেকটা ১৬ গিগাবাইটের কার্ড ৮০-১০০ মিনিট ধরতে পারে।এর বেশি শুট করলে আগে কার্ড খালি করে নিতে হবে। 

> ক্যামেরা কিনা বা ভাড়া নেয়ার আগে অবশ্যই চেক করে নিবেন ভিডিওটা কম্পিউটারে ট্রান্সফার করার ব্যবস্থা কি! ম্যাক ছাড়া অন্যান্য কম্পিউটারে খুব কমই ফায়ারওয়ার পোর্ট (অন্য নাম IEEE পোর্ট) পাওয়া যায়।তাই ভিডিও কিভাবে ট্রান্সফার করবেন সেটা আগেই বুঝে নিন।

> প্রিভিউ দেখার জন্য ক্যামেরাতে ভিউ ফাইন্ডারের পাশাপাশি এলসিডি ডিসপ্লে থাকে।ডিজিটাল ক্যামেরার ভিউ ফাইন্ডার মুভি ক্যামেরার ভিউ ফাইন্ডারের মত খুব একটা রিলায়েবল না।তার চেয়ে এলসিডিটাই ভাল।সবচেয়ে ভাল যদি আলাদা মনিটরে দেখতে পারেন।প্রফেশনাল মনিটর জোগাড় করতে না পারলে ঘরের টিভিকেও ইউজ করতে পারেন।যত বড় পর্দায় দেখবেন,ছবির দোষত্রুটি তত সহজে ধরতে পারবেন।

আজকাল বোধহয় বাংলাদেশে সবার ঘরে ঘরে একটা করে ডিএসএলআর আছে,সেটা ইউজ করতে পারুক বা না পারুক।আপনাদের অনেকেই ডিএসএলআরে কিছু অভিজ্ঞতা থাকতে পারে।তাদের জন্য ডিএসএলআর এবং ভিডিও ক্যামেরার কিছু পার্থক্য আগেই বলে নেয়া ভাল।

> স্টিল ফটোগ্রাফির চেয়ে ভিডিওগ্রাফি অনেক বেশি সহজ।স্টিলে শুধু একটা ফ্রেম আর সেই ফ্রেমে প্রচুর কারুকাজ করে সেটাকে আকর্ষনীয় করতে হয়।ভিডিওতে প্রতিটা ফ্রেমকে নান্দনিক করার দরকার হয় না।যেকোন নাটক বা সিনেমার বেশিরভাগ (বা অনেকসময় সব) শটই খুব বেসিক আর নরমাল শট।মোটামুটি সাতদিন ক্যামেরা নাড়াচাড়া করলেই আপনি বেসিক ক্যামেরা অপারেশন শিখে যাবেন।মাস খানেকের মধ্যে অন্তত বাংলা নাটকের ক্যামেরা চালানোর মত জ্ঞানী হতে পারবেন।তবে একটা সমস্যা।ক্যামেরা চালানোর পাশাপাশি সিনেমাটোগ্রাফারের আরেকটা মেজর কাজ হল লাইট সেটাপ করা।লাইটিং শিখতে সময় এবং ধৈর্য দরকার,এটা সহজ কাজ না।কিন্তু জাস্ট ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য শর্টফিল্ম ইত্যাদি বানাতে লাইট নিয়ে অত মাথা না ঘামালেও চলে আর যেটুকু ক্যামেরা অপারেশন জানা দরকার হয় সেটা ওই মাসখানেকেই আয়ত্ব করা যায়।

> স্টিল বা মুভি ক্যামেরার সাথে প্রো এইচডি ক্যামের একটা বড় পার্থক্য হচ্ছে এইচডি ক্যামে লেন্স বদলানোর ব্যাপার নাই।মাত্র কিছুদিন আগে ক্যানন ২০ হাজার ডলার দামের ক্যামেরা ছেড়েছে যেটাতে লেন্স বদলানো যায়।আমরা অত উপরের ক্যামেরার কথা বাদ দিচ্ছি।এই টিউটোরিয়ালে শুধু ফিক্সড লেন্সের ক্যামেরার কথা বলা হচ্ছে। 

> স্টিলে ISO বলে একটা ফিচার আছে।মুভি ক্যামেরাতে এই ফিচারকে বলে ASA।ভিডিও ক্যামেরাতে এই ধরনের কিছু থাকে না।





[নিচে থার্ড ব্র্যাকেটে যেসব কথা লেখা থাকবে সেগুলি প্রথমবার পড়ার দরকার নাই।এগুলি একটু এডভান্সড।পড়লে মনে রাখতে পারবেন না।তার চেয়ে এগুলি বাদ দিয়ে বাকিটা পড়ুন,ক্যামেরা নিয়ে ২-৪ দিন নাড়াচাড়া করে একটু কাজ শিখে তারপর এগুলি পড়ুন।] 

সবার আগে দেখে নিন যে রেজুলুশন 1080p তে সেট করা আছে কিনা।যদি আপনার ক্যামেরাতে 1080p না থাকে কিন্তু 1080i আর 720p থাকে,তাহলে 720p ইউজ করা ভাল।

[p হচ্ছে প্রগ্রেসিভের সংক্ষেপ আর i ইন্টারলেসডের সংক্ষেপ ।প্রগ্রেসিভ আর ইন্টারলেসড পরে অন্য কোর্সে আলোচনা হবে।আপাতত জেনে রাখুন যে সবসময় p অপশনকে বেছে নেয়ার চেষ্টা করবেন।]

হোয়াইট ব্যালেন্স: ক্যামেরা হাতে নিয়ে প্রথমেই এটা করতে হবে।সবসময় লোকেশনে যাবেন একটা সাদা কাগজ নিয়ে।লাইট সেটাপ হয়ে গেলে এই সাদা কাগজকে লেন্সের সামনে এমনভাবে ধরবেন যেন পুরো ফ্রেমে কাগজ ছাড়া অন্য কিছু না থাকে।এবার ক্যামেরাতে White Balance খুজে বের করে একবার চাপ দিন।পরিবর্তনটা নিজেই বুঝতে পারবেন।যতবার লাইট সেটাপ বদলাবেন,হোয়াইট ব্যালেন্স করতে হবে।কিন্তু একই লাইটে বারবার করবেন না তাহলে সামান্য ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হোয়াইট ব্যালেন্সেরর পার্থক্যের জন্য দুইটা আলাদা শটে দুইরকম কালার আসবে।এডিটিং এর সময় প্রচুর ঝামেলা।

[লোকেশনে নানারকম লাইটের আনাগোনার কারনে ক্যামেরা একটু ‘কনফিউজড’ হয়ে যায়।তখন তাকে একটা রেফারেন্স পয়েন্ট দিতে হয়।এজন্যই একটা সাদা কাগজ ক্যামেরার সামনে ধরে বলতে হয়,এটা তোমার হোয়াইট কালার তাই একে রেফারেন্স ধরে বাকি কালারগুলি ঠিক করে নাও।হোয়াইট ব্যালেন্স না করলে সাধারনত ছবি ব্লুয়িশ বা অরেঞ্জিশ দেখায়।আল্লাহর দান হিউম্যান আই প্রতি মূহুর্তে নিজেই এই কাজটা করতে থাকে।মুভি ক্যামেরাতে এই ফিচারটা নাই,দরকার হয় না।]

ফ্রেম রেট: মুভির ফ্রেমরেট 24p,টেলিভিশনের ফ্রেমরেট 30p।আপনি যেকোন একটা পছন্দ করে নিন।যেটাই পছন্দ করেন,পুরো প্রজেক্টে সেটাতেই থাকবেন। 

[ফ্রেম রেট 24p বলতে বোঝায়,প্রতি সেকেন্ডে ২৪টা ফ্রেম যাবে। p হচ্ছে প্রগ্রেসিভের সংক্ষেপ]

শাটার স্পিড: এটার একটা প্রচলিত নিয়ম আছে।নরমাল শট অর্থাৎ যেখানে স্লো বা ফাস্ট মোশন নাই,সেখানে ফ্রেম রেট যদি x হয় তাহলে শাটার স্পিড হবে 1/2x। অর্থাৎ ২৪পি ফ্রেম রেটের জন্য শাটার স্পিড হবে ১/৪৮,৩০পি এর জন্য ১/৬০।

[ফ্রেম রেট ২৪পি এবং শাটার স্পিড ১/৪৮ সেকেন্ড বলতে বোঝায়,ক্যামেরার ভেতরে শাটার প্রতি ফ্রেমে একবার অর্থাৎ সেকেন্ডে ২৪ বার ওপেন ক্লোজ হয় এবং প্রতিবার ওপেন হবার সময় ১/৪৮ সেকেন্ড খোলা থাকে।খুব ফাস্ট মুভিং গাড়ির ভিডিও করতে চাইলে শাটার স্পিড অনেক কমাতে হবে যেমন ১/৫০০ সেকেন্ড।খুব কম সময় শাটার খোলা বলে আলো লেন্সে আসার যথেষ্ট সময় পায় না ফলে মুভমেন্ট ঠিকমত ধরতে পারেন না।সেজন্য মুভিং গাড়ির ছবি ক্লিয়ার আসবে।একইভাবে স্লোমোশন করতে চাইলে শাটার স্পিড বাড়িয়ে ফেলুন।স্লোমো ভাল পাওয়ার জন্য একটা টিপস,১০৮০পি বদলে ৭২০পি ইউজ করুন।

শাটার স্পিড কমিয়ে ব্রাইটনেস বাড়ানো যায়।কিন্তু কোন অবস্থাতেই এটা করবেন না কারন লো শাটার স্পিডে মোশন খুব বাজে আসবে।]

এক্সপোজার/এপারচার/F stop: এটা ক্যামেরার সবচেয়ে জটিল বিষয়।অনেক কিছু জানার তো আছেই,এছাড়া এটাতে পারফেক্ট হতে চাইলে প্রচুর প্র্যাকটিসকরতে হয়।শুধু এই টপিক নিয়ে একটা আলাদা পোস্ট দেয়া যায়।কোন একদিন হয়ত আমি দিবও।কিন্তু যেহেতু একটা একদম বেসিক টিউটোরিয়াল তাই আজকে অল্প কথায় সারতে চাই। 

যে নামেই ডাকা হোক,বিষয়টা হচ্ছে ক্যামেরাতে আপনি আলো কতটা ঢুকতে দিবেন সেটা নির্ধারন করে দেয়া।রিং নাড়াচাড়া করে দেখুন যে ঠিক কোন লাইটে আপনার ফ্রেমটাকে পারফেক্ট মনে হচ্ছে।কখনোই এই ফিচারকে আপনার ফ্রেমের ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রন করার জন্য ইউজ করবেন না।আপনার যদি বেশি লাইট দরকার হয় তাহলে সেটে আরো এক/দুইটা এক্সট্রা লাইট লাগান।এক্সপোজার দিয়ে ব্রাইটনেস বাড়ালে বা কমালে সেটার আউটপুট ভাল আসবে না।আপনার সাবজেক্ট আসলে যতটুকু ব্রাইট,এক্সপোজার রিং ঠিক ততটুকুতেই সেট করবেন।

সিনেমার শুটিং এ আপনারা লাইটমিটার ইউজ করতে দেখেছেন নিশ্চয়ই।ডিজিটাল ভিডিওতে লাইটমিটার খুব একটা লাগে না কারন ক্যামেরাতে জেব্রা ফিচার থাকে।এই ফিচার অন করে রাখলে ফ্রেমের যে অংশগুলি ওভার এক্সপোজড,সেই অংশগুলি ক্যামেরারা এলসিডি ডিসপ্লেতে জেব্রা লাইন দিয়ে চিহ্নিত করে দিবে।বোঝা গেল?বোধহয় না,আরো ভালমত ব্যাখ্যা করি।ধরুন একটা সাদা দেয়ালের সামনের আপনার সাবজেক্ট বসে আছে।আপনি লাইট আর এক্সপোজার সেটআপ করলেন,কিন্তু সাদা ওয়ালে জেব্রা দেখা যাচ্ছে।এর অর্থ হল,এই অবস্থায় ছবি তুললে সাদা ওয়ালকে খুব বেশি উজ্জ্বল মনে হবে ফলে ছবির ওই অংশে রং জ্বলে যাবে।আপনি এক্সপোজার একটু কমালে আস্তে আস্তে জেব্রা চলে যাবে কিন্তু সাবজেক্ট হয়ত ডার্ক মনে হবে।এই অবস্থায় আপনি সাবজেক্টের উপর লাইট বাড়াতে পারেন বা দেয়ালের উপর থেকে লাইট কমানোর ব্যবস্থা করতে পারেন।যেটাই করেন,জেব্রা থাকাবস্থায় ছবি তুলবেন না কারন ভাল আসবে না।তবে জেব্রার অল্প ৩-৪টা লাইন থাকলে ইগনোর করতে পারেন।

অনেক ক্যামেরাতে জেব্রার সেনসিটিভিটি নিয়ন্ত্রন করার ব্যবস্থা থাকে।সাধারনত ৭০,৮০,৯০ এবং ১০০ এই চারটা অপশন থাকে।যথেষ্ট এক্সপার্ট না হওয়া পর্যন্ত ৭০ এ থাকুন।

জুম: এটা নিশ্চয়ই সবাই জানেন।জানা কথা আর না বলি।

[এখানে ডলি (সাবজেক্টে স্থির রেখে যদি ক্যামেরাকে সামনে নিয়ে যাই সেটা হচ্ছে ডলি শট) আর জুমের পার্থক্যটা বোঝাই।পার্থক্যটা ডেপথ অফ ফিল্ডে।ধরুন একটা বিল্ডিং এর ২০ মিটার সামনে আপনার সাবজেক্ট দাঁড়িয়ে আছে আর ক্যামেরা আছে সেই সাবজেক্টের ১০ ফুট সামনে।ক্যামেরার ফ্রেমে সাবজেক্টের পুরো বডির সাথে বিল্ডিং এরও উল্লেখযোগ্য অংশ দেখা যাচ্ছে।এখান থেকে জুম ইন করলে সাবজেক্ট এবং বিল্ডিং দুইটাই সাইজে বড় হবে কারন জুম ইন হচ্ছে ম্যাগনিফায়ার।আর যদি ডলি করেন তাহলে শুধু সাবজেক্টটাই বড় হবে,বিল্ডিংটা একই সাইজের থাকবে।]

ফোকাস: যে সাবজেক্টকে ফোকাস করবেন,যতটা সম্ভব জুম ইন করে সাবজেক্টকে ফ্রেমে নিয়ে আসুন।সাবজেক্ট যদি মানুষ হয় তাহলে চোখে জুম ইন করুন।ফোকাস রিং ঘুরিয়ে সাবজেক্টকে একদম আউট অফ ফোকাস করে ফেলুন।এরপর আস্তে আস্তে রিং ঘোরাতে থাকুন যতক্ষন না আপনার কাছে মনে হয় যে ফোকাস ঠিকমত হয়েছে।এবার জুম আউট করে পছন্দমত ফ্রেমে ফিরে আসুন।অনেক ক্ষেত্রে এত জুম ইন->ফোকাস->জুম আউট করার সময় পাবেন না বিশেষ করে যদি ইভেন্ট (বিয়ে ইত্যাদি) ভিডিও করেন,সেসব ক্ষেত্রে মোটামুটি আন্দাজ করে নিন যে সাবজেক্ট কত দূরে আছে।ফোকাস রিং বা এলসিডি ডিসপ্লেতে ফোকাস দূরত্ব মাপার ব্যবস্থা থাকে।রিং নাড়াচাড়া করে আপনার সাবজেক্টের দূরত্বকে সেট করে দিন।কিছু ক্যামেরাতে এমনকি ডিসপ্লেতে নির্দেশ করা থাকে যে ফোকাস এই মুহুর্তে সামনের ঠিক কোন পজিশনটাতে আছে।এই অপশনকে peaking বলে।এটা আপনার ক্যামেরাতে থাকলে আরো ভাল।তবে এগুলি খুব রিলায়েবল না।সুযোগ থাকলে অবশ্যই ম্যানুয়ালি জুম ইন->ফোকাস->জুম আউট করে নিবেন। 

[সাবজেক্ট যদি চলমান হয় তাহলে ফোকাস করা একটু সমস্যা এবং কিছুটা অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে।ক্যামেরা থেকে সাবজেক্টের দূরত্ব যদি সবসময় সমান থাকে,তাহলে ফোকাস বদলানোর দরকার হবে না।এইসময় একজন সাহায্যকারী থাকলে ভাল যার কাজ হবে আপনার কোমর ধরে আপনাকে চলতে সাহায্য করা এবং নজর রাখা যেন আপনি আছাড় খেয়ে পড়ে টড়ে না যান।আপনি ডিসপ্লে থেকে চোখ বা মনোযোগ এক মুহুর্তের জন্যও সরাতে পারবেন না।ফলে আশেপাশে তাকানোর সুযোগ নাই।আপনার যদি পড়ে না যাওয়ার ভয় থাকে তাহলে মনোযোগ ভাল দিতে পারবেন।

সাবজেক্ট আর ক্যামেরার দূরত্ব যদি সবসময় সমান না থাকে বা চলমান অবস্থায় ফোকাস বদলানোর দরকার হয় তাহলে বিষয়টা বেশ জটিল।এ ধরনের শট পারলে এভয়েড করুন বা রিমোট কন্ট্রোল ইউজ করুন।আপনার একজন সহকারী লাগবে যে মনিটরে দেখে রিমোট দিয়ে ফোকাস বদলাতে থাকবে।হাটতে হাটতে ক্যামেরার ফোকাস বদলে এডজাস্ট করা সহজ বিষয় না।] 

এবার দুইটা কম গুরুত্বপূর্ন ফিচারের কথা বলি।খুব এক্সপার্ট না হলে এই দুই ফিচার নিয়ে খেলাধুলা করা উচিত হবে না।

গেইন: সবসময় জিরোতে রাখবেন।গেইন বাড়ালে ব্রাইটনেস বাড়বে কিন্তু ছবিতে নয়েস বা পিক্সেল আসবে।

এনডি ফিল্টার: এনডি হচ্ছে নিউট্রাল ডেনসিটি।শাটার স্পিড না বদলে এই ফিল্টার দিয়ে ব্রাইটনেস কমানো যায়।অনেকটা ক্যামেরার সামনে সানগ্লাস পড়িয়ে দেয়ার মত।যথাসম্ভব এভয়েড করার চেষ্টা করবেন।

সবকিছু সেট।এবার কাজ হচ্ছে শট নেয়া। 


অনলাইন