লাকসাম মিডিয়া গ্যালারী

#htmlcaption1 লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected

Tuesday, 23 May 2017

যেসব কারণে রোজা ভাঙে না, মাকরুহও হয় না

►    ভুলে খানাপিনা বা স্ত্রীসম্ভোগ করা (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৬৫)
►    যদি ওই ভুলকারী লোকের রোজা রাখার শক্তি থাকে, তাহলে তাকে রোজার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া। আর যদি রোজা রাখার শক্তি না থাকে, তাহলে স্মরণ না করে দেওয়া উত্তম। (আল-ওয়াল ওয়ালিযিয়্যাহ : খ. ১, পৃ. ২০২)
►    অনিচ্ছায় গলার মধ্যে ধোঁয়া, ধুলাবালি, মশা-মাছি চলে যাওয়া। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৬৬)
►    তেল, সুরমা, শিঙা লাগালে যদি গলায় তার স্বাদ পাওয়া যায়। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৬৬)
►    স্বপ্নদোষ হওয়া। (তিরমিজি : হাদিস ৭১৯)
►    যেকোনো সময় মেসওয়াক করা, কাঁচা হোক কিংবা শুষ্ক হোক। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ১৯৯)
►    কাঠি দিয়ে কান খোঁচানোর ফলে কোনো ময়লা বের হলে তারপর ময়লাযুক্ত কাঠি বারবার কানে প্রবেশ করালে। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৬৭)
►   চানা বুটের চেয়ে ছোট দাঁতের ফাঁকে আটকে যাওয়া কোনো জিনিস খেলে। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৬৭)
►   দাঁত থেকে রক্ত বের হয়ে যদি হলক্বে চলে যায়। যদি থুথুর পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৬৮)
►   শরীর, মাথা, দাড়ি-গোঁফে তেল লাগালে। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ১৯৯)
►    ফুল বা মৃগনাভির ঘ্রাণ নিলে। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৯৯)
►   ইচ্ছাকৃতভাবে নাকের শ্লেষ্মা মুখের ভেতর নিয়ে নিলে। (বিনায়া : খ. ৪, পৃ. ২৯৪)
►   মুখের থুথু গিলে ফেলা। (নাওয়াজিল : পৃ. ১৫০)
►    তিল পরিমাণ কোনো জিনিস বাইরে থেকে মুখে নিয়ে অস্তিত্বহীন করে দেওয়া ও গলায় তার কোনো স্বাদ অনুভব না হলে। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৯৪)
►   কপালের ঘাম কিংবা চোখের দু-এক ফোঁটা অশ্রু কণ্ঠনালিতে পৌঁছে গেলে। রোজা ভাঙে না। (বিনায়া : খ. ৪, পৃ. ২৯৪)
►    রোজা শুরু হওয়ার আগেই যদি লজ্জাস্থানে কোনো ওষুধ রাখা হয়। তাহলে রোজা ভাঙা যাবে। (রহিমিয়া : খ. ৪, পৃ. ২৯৪)
►    যেকোনো ধরনের ইনজেকশন বা টিকা লাগানো। তবে এমন ইনজেকশন বা টিকা লাগানো মাকরুহ, যেগুলো দ্বারা রোজার কষ্ট বা দুর্বলতা দূরীভূত হয়। (জাওয়াহিরুল ফিকহ : খ. ১, পৃ. ৩৭৯)
►    ইনজেকশনের মাধ্যমে রক্ত বের করা হলে রোজা নষ্ট হবে না। আর দুর্বলতার আশঙ্কা না থাকলে মাকরুহও হবে না।
►    পান খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলি করা সত্ত্বেও যদি থুথুতে লালাভাব থেকে যায়, তাহলে রোজা মাকরুহ হবে না। (এমদাদুল ফাতাওয়া : খ. ২, পৃ. ১৩১)
►    ভেজা কাপড় শরীরে দেওয়া অথবা ঠাণ্ডার জন্য কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া অথবা গোসল করা মাকরুহ নয়। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৯৪; দারুল উলুম : খ. ৬, পৃ. ৪০৫; বুখারি)
►    স্বপ্নে কিংবা সহবাসে যদি গোসল ফরজ হয়ে থাকে এবং সুবেহ সাদিকের আগে গোসল না করে রোজার নিয়ত করে, তাহলে তার রোজার মধ্যে অসুবিধা হবে না। (জাওয়াহিরুল ফিকহ : খ. ১, পৃ. ৩৮০)
►   গলা খাঁকারি দিয়ে খাদ্যনালি থেকে মুখে কাশি বের করা, তারপর আবার গিলে ফেলা উচিত নয়। তবে এটি মাকরুহও নয়। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৩৭৩)
►  মাথা অথবা চোখে ওষুধ দেওয়া। (এমদাদুল ফাতাওয়া : খ. ২, পৃ. ১২৭)
►   হোমিওপ্যাথিক ওষুধের ঘ্রাণ নেওয়া। (মাহমুদিয়া : খ. ১৫, পৃ. ১৮০)
►    রোজা অবস্থায় পাইপ দ্বারা মুখে হাওয়া নিলে। (মাহমুদিয়া : খ. ১৫)
►   রোজা অবস্থায় নাকের মধ্যে ওষুধ ব্যবহার করার দ্বারা ব্রেনে না পৌঁছলে। (মাহমুদিয়া : খ. ১৫, পৃ. ১৬৯)
►   শরীরের কোনো ক্ষতস্থান থেকে পুঁজ বা রক্ত প্রবাহিত হলে বা রক্ত বের করলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে রোজাদার থেকে বের করা মাকরুহ। (জাওয়াহিরুল ফিকহ : খ. ১, পৃ. ২৮)
►   ডাক্তার যদি চিকিৎসার শুকনো কোনো যন্ত্র পেটে প্রবেশ করায়, অতঃপর তা বের করে ফেলে, তাহলে রোজা নষ্ট হবে না। (আল-ফিকহুল হানাফি)
►    পানিতে ডুব দেওয়ার পর কানের ভেতর পানি চলে গেলে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে পানি দিলে রোজা মাকরুহ হয় না। (বিনায়া : খ. ৪, পৃ. ২৯৪; আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ২০৪)
►   জৈবিক উত্তেজনায় শুধু দৃষ্টিপাতের কারণে যদি বীর্যপাত হয়, তাহলে রোজা ফাসেদ হবে না। (আহকামে জিন্দেগি, পৃ. ২৪৯)


0 comments:

Post a Comment