কষ্টার্জিত ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে বা কোনো কারণে নষ্ট হলে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কেননা এতে আবারও সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয় এবং একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় তার ‘ডুপ্লিকেট লাইসেন্স’ করতে হয়। তবে তাতে ঝামেলার কিছু নেই। নিচে ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়াগুলো উল্লেখ করা হলো:
• ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে, চুরি হলে, পুড়ে গেলে, বা কোনো কারণে নষ্ট হলে প্রথমে ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং রেফারেন্স নম্বর ও তারিখ (যদি থাকে) উল্লেখ করে থানায় জিডি করতে হবে।
• বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ হতে ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
• ড্রাইভিং লাইসেন্সটি বিআরটিএ’র যে সার্কেল অফিস থেকে ইস্যু করা হয়েছে বা সর্বশেষ নবায়ন করা হয়ে সে সার্কেলের লাইসেন্সিং অথরিটি, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বরাবরে ড্রাইভিং লাইসেন্সর প্রতিলিপি বা ডুপ্লিকেট লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে।
• ড্রাইভিং লাইসেন্সটি যদি হাইসিকিউরিটি স্মার্ট কার্ড হয় তাহলে নতুন করে বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, আঙ্গুলের ছাপ, ডিজিটাল স্বাক্ষর)-এর প্রয়োজন নেই। কিন্তু যদি তা না হয় তবে, বায়োমেট্রিক্স প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে হাজির হয়ে বায়োমেট্রিক্স প্রদান করে acknowledgement slip সংগ্রহ করতে হবে।
• স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্টিং-এর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে গ্রাহককে মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
• গ্রহকের মোবাইলে মেসেজ পাওয়ার পর acknowledgement slip প্রদর্শণপূর্বক সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিস থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি:
১। যথাযথভাবে পুরণকৃত ০৪ পৃষ্ঠার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর ফর্ম ।
২। জিডি কপি ও ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স।
৩। নির্ধারিত ফি (হাই সিকিউরিউটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ৮৭৫/-টাকা) বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
৪। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের একটি অনুলিপি বা ফটোকপি বাড়িতে সংরক্ষণ করা উচিৎ। ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর ফর্ম, ব্যাংকের তালিকা ও অন্যান্য তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিস কিংবা www.brta.gov.bd ভিজিট করুন।
(তথ্যসূত্র:http://www.brta.gov.bd)
























0 comments:
Post a Comment