লাকসাম মিডিয়া গ্যালারী

#htmlcaption1 লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected

নাট্যকর্মী নেবে লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

যোগাযোগ এম এ জলিল....+8801716496603 এম সোহেল......+8801825399243 E-mail...lakshammultimediahouse@gmail.com www.facebook.com/lakshammultimediahouse www.lakshamlive.blogspot.com

লাকসাম উপজেলা.

লাকসাম উপজেলা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। কুমিল্লা সদর থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ডাকাতিয়া নদীর তীরে এই উপজেলাটি অবস্থিত। বর্তমানে লাকসাম একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। লাকসাম শহরটি বাণিজ্যের শহর হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের বৃহত্তম পাঁচটি রেলওয়ে জংশনের মধ্যে একটি এখানে অবস্থিত। লাকসাম থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করা হয় ১৯৮২ সালে।

আকর্ষণীয় স্থান সমূহ.

অনেকেই এক দিনের ছুটিতে ঘুরার জন্য প্লেন খুঁজে বেরায়, আর আমি নিয়ে এলাম একদিন ঘুরার দারুণ এক প্লেন। প্রতি বছর প্রচুর সংখ্যক ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরতে আসে কুমিল্লায়। কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষন রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, রাণীর বাংলার পাহাড়, আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি।

ছোট নাটিকা.

জুনিয়র প্রেমিকলেখাঃ রাজিব (দরিদ্র বালক)ঠাস করে একটা শব্দ, ডান গালে তীব্র ব্যথা, চোখেমুখে অন্ধকার দেখছি! চোখ বন্ধ করে গালে হাত দিয়ে চুপ করে অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর চোখ খুলে দেখি মেয়েটি সামনে এখনো দাঁড়িয়ে আছে! চশমা পরা, রাগী চেহারা, রাগে মুখ লালচেহয়ে আছে! কিছু একটা হয়েছে, কিহয়েছে?এসো একটু পেছনে যাই..ব্যস মাত্র পাঁচ মিনিট...এসো.."

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস.

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

Showing posts with label ঘরোয়া টিপস. Show all posts
Showing posts with label ঘরোয়া টিপস. Show all posts

Tuesday, 19 September 2017

ফ্রিজে কোন খাবার কতদিন রাখবেন




১। মাংস ১ -২ মাস
২।  পাউরুটি ২ – ৩ মাস
৩। মাংস ২ -৩ মাস (রান্না করা)
৪।  হাঁস-মুরগির মাংস ৪ মাস(রান্না করা)
৫। অন্যান্য খাবার ২ -৩ মাস(রান্না করা)
৬। ফল ৮ – ১২ মাস
৭। স্যুপ ২ -৩ মাস
৮। কাঁচা মুরগি (আংশিক) ৯ মাস
৯। কাঁচা মুরগি (আস্ত) ১ বছর
১০। শাকসবজি ৮ – ১২ মাস

যে বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে:
১। খাবার কেনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তা ফ্রিজে রাখুন। তাজা অবস্থায় ফ্রিজে রাখলে বেশিদিন খাদ্যমান ধরে রাখা যায়।
২। একসঙ্গে অনেক খাবার ফ্রিজে রাখতে হলে আগে রাখা কিছু খাবার ফ্রিজ থেকে সরিয়ে ফেলুন।
৩।কৌটার খাবার ও খোসাসহ ডিম ফ্রিজে না রাখাই ভালো। কৌটা বা ডিমের খোসা ফেটে গেলে এর ভেতর ব্যাক্টেরিয়া ঢুকে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
৪। গরম খাবার ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখলে এর খাদ্যমান বজায় থাকে।
৫। মোড়কজাত মাংস দীর্ঘ সময় ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন হলে বাড়তি প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে তা আরও ভালোভাবে মুড়িয়ে নিন।
৬। খাবারটি কতদিন সংরক্ষণ করতে হবে তা খাবারের প্যাকেটের গায়ে লিখে রাখলে এ বিষয়টি মনে রাখা সহজ হবে।
কীভাবে তাজা খাবার সংরক্ষণ করবেন:
৭। তাজা ফল সংরক্ষণের আগে তা ভালো করে ধুয়ে, শুকিয়ে ছোট ছোট করে কেটে ব্যাগে সংরক্ষণ করা উচিত। অনেকে এর স্বাদ, গন্ধ ধরে রাখার জন্য চিনি বা সিরাপ দিয়েও সংরক্ষণ করে থাকেন।
৮। স্বাদ, গন্ধ ও রঙ ধরে রাখার জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণের আগে শাকসবজি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখুন।

৯। প্রতিটি খাবার খুব ভালো ভাবে এয়ারটাইট করে রাখুন। এতে খাবারের গুণাগুণ দীর্ঘ দিন ভালো থাকবে।

Saturday, 8 July 2017

মশা থেকে মুক্তির কিছু প্রাকৃতিক উপায়

আদিকালে মানুষ নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য নানা ধরনের প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করতো। এসব কৌশল অবলম্বন করে আপনিও মশার যন্ত্রণার স্থায়ী সমাধান পেতে পারেন। তবে জেনে নিন, ঘরকে মশা মুক্ত রাখার প্রাকৃতিক কিছু পদ্ধতি।
লেবু ও লবঙ্গের জাদু:
সম্পূর্ন লেবু অর্ধেক করে কেটে নিয়ে লেবুর ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লবঙ্গ গাঁথার সময় খেয়াল রাখুন, লবঙ্গের পুরো অংশটা ঢুকাবেন না এবং লবঙ্গের মাথার দিকের অংশটা যেন বাহিরে থাকে। এবার লেবুর টুকরোগুলো আপনি চাইলে প্লেটে করে ঘরের ভেতর বা জানালার গ্রিলে ঝুলিয়ে দিতে পারেন। এতে করে বেশ কয়েকদিন ঘরে কোন মশা ঢুকবে না। 
কর্পূরের ব্যবহার:
কর্পূরের গন্ধ পেলেই মশা তল্পিতল্পা নিয়ে পালায়। ফার্মেসি থেকে কর্পূরের ট্যাবলেট কিনে নিন। একটি ছোট বাটিতে একটি ৫০ গ্রামের কর্পূরের ট্যাবলেট রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন এরপর এটাকে ঘরের কোণে রেখে দিলে তাৎক্ষণিক মশা গায়েব হয়ে যাবে। দুই দিন পর পর পানি পরিবর্তন করুন। তবে আগের পানিটা ফেলে দেয়ার মতো ভুল করবেন না। এই পানি দিয়ে ঘর মুছলে ঘরে একটি পিঁপড়েও ঢুকবে না। 
রসুনের স্প্রে:
রসুনের গুণ বলে শেষ করা যাবে না। তবে মশা তাড়াতে যে রসুন কতোটা কার্যকর, সেটা জানা থাকলে মশাকে ভয় পেতে ভুলে যাবেন নি:সন্দেহে। রসুনের স্প্রে মশা তাড়াতে খুবই কার্যকারী। ৫ ভাগ পানিতে ১ ভাগ রসুনের রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি একটি বোতলে ভরে শরীরের যেসব স্থানে মশারা কামড়াতে পারে সেসব স্থানে স্প্রে করুন। এতে ত্বকের কোন ক্ষতি হবে না এবং মশারা আপনাকে ভয় পেতে শুরু করবে। 
নিমের তেলের ব্যবহার:
ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী নিমের তেল। একই সঙ্গে মশা তাড়ানোর মতো জটিল কার্যক্ষমতাও রয়েছে নিমের। তাই একই সাথে দুই উপকার পেতে ব্যবহার করতে পারেন নিমের তেল। সমপরিমাণ নিমের তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। ব্যাস, নিমের গুণে আপনার সুন্দর ত্বকে মশা বসার মতো ভুল কখনোই করবে না। 
পুদিনার ব্যবহার:
জার্নাল অফ বায়োরিসোর্স টেকনোলোজির গবেষণা মতে, তুলসি ও পুদিনা পাতায় রয়েছে মশা দূরে রাখার ক্ষমতা। এছাড়াও পুদিনার গন্ধের ভয়ে মশা ছাড়া আরো অনেক ধরণের পোকামাকড় আপনার ঘর থেকে দূরে থাকবে। পানিতে পুদিনা পাতা ছেঁচে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর পানির এই ধোঁয়া পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন একটি মশাও থাকবে না। আপনি চাইলে পুদিনা পাতার তেলও গায়ে মাখতে পারেন। এতে ত্বকেরও অনেক উপকার হবে।

Tuesday, 4 July 2017

ভুলেও ফেলবেন না পাস্তা এবং ভাত, হাড়, আঁশযুক্ত খাবার,ডিমের খোসা, প্রোডাক্ট স্টিকার,ওষুধ

১। রান্নায় ব্যবহৃত তেল
রান্নায় ব্যবহৃত তেল অথবা গ্রিজ ড্রেইন দিয়ে ফেলা থেকে বিরত থাকুন। এটি ড্রেইন বন্ধ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। অসাবধানতাবশত যদি কিছু তেল ড্রেইনে  দিয়ে চলে যায়। তবে গরম পানির সাথে ভিনেগার এবং বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এটি ঢেলে দিন পাইপের ভিতরে।  দেখবেন ড্রেইন পরিষ্কার হয়ে গেছে।
২। পাস্তা এবং ভাত
পাস্তা সিদ্ধ করে তা পানি দিয়ে ধোয়ার সময় কিছু পাস্তা বা তার অংশ বিশেষ ড্রেইনে চলে যায়। ভাত এবং পাস্তা মাড়  জনিত খাবার। এই জন্য এটি জমাট বেঁধে থাকে। যা সহজে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা সম্ভব হয় না। তাই পাস্তা এবং ভাত ধোয়ার সময় সাবধান থাকুন।
৩। হাড়
মাংসের বড় হাড়ের কথা বলা হচ্ছে না। ছোট ছোট হাড়ও ড্রেইন বন্ধ করে দিতে পারে। অনেক সময় মাংসের চিবানো হাড়ের গুঁড়ো থালা বাসন ধোয়ার সময় ড্রেইনে চলে যেতে পারে। এর পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে ড্রেইন বন্ধ হয়ে যাবে।
৪। আঁশযুক্ত খাবার
আঁশযুক্ত যেকোনো সবজি ধোয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। সবজির আঁশ ড্রেইন বন্ধ করে দিয়ে থাকে।
৫। ডিমের খোসা
ডিম সিদ্ধ করার পর অনেকেই সিঙ্কের উপর ডিমের খোসা ছাড়িয়ে থাকেন। পরে এই খোসা পানি দিয়ে ড্রেইনে ফেলে দেন। যা ড্রেইন বন্ধ করে দেয়।
৬। প্রোডাক্ট স্টিকার
এই কাজটি কম বেশি অনেকে করে থাকেন। ফল ধোয়ার সময় ফলের গায়ে লেগে থাকা স্টিকার কিচেনের ড্রেইনে ফেলে দেন।  এই স্টিকারের কারণেও বন্ধ হয়ে যেতে পারে ড্রেইন।
৭। ওষুধ
ট্যাবলেট, ক্যাপসল জাতীয় ওষুধ ড্রেইন বন্ধ হওয়ার জন্য দায়ী। এইধরনের ওষুধ সিঙ্কে ফেলা থেকে বিরত থাকুন।
সূত্রম্যাসড ডট কম

ঘরের টাইলস ঝকঝকে করে তুলুন

১।  অ্যামোনিয়া
এক বালতি গরম পানির মধ্যে ১/৪ কাপ অ্যামোনিয়া মেশান। এবার এতে কাপড় ভিজিয়ে টাইলস মুছে ফেলুন। টাইলসে হলদে দাগময়লা দূর করতে অ্যামেনিয়া বেশ কার্যকর। এমনকি টাইলস দ্রুত চকচকে করতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
২। পেনসিল ইরেজার
নতুন জুতো অনেক সময় টাইলসের উপর স্ক্র্যাচ ফেলে দেয়। এই স্ক্র্যাচের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে পেনসিল ইরেজার।  ইরেজার দিয়ে দাগগুলোর উপর ঘষুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন দাগ উঠে গেছে।
৩। বোরাক্সভিনেগার এবং অ্যামোনিয়া
১/৪ কাপ বোরক্স১/২ কাপ ভিনেগার এবং ১/২ কাপ অ্যামোনিয়া এক গ্যালন গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে ফ্লোর মছুন। এটি টাইলস চকচকে করতে বেশ কার্যকর।
৪। পানি এবং হাইড্রোজেন পারক্সাইড
সমপরিমাণ পানি এবং হাইড্রোজেন পারক্সাইড একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার এটি স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। টাইলসের দাগের উপর এটি স্প্রে করুন। এভাবে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর মুছে ফেলুন। এটি কয়েকবার করুন। টাইলসের কঠিন জেদী দাগ দূর করে দিবে হাইড্রোজেন পারক্সাইড।
৫। বেকিং সোডা
ঘরের টাইলসের জেদী দাগ দূর করতে বেকিং সোডা বেশ কার্যকরী। সমপরিমাণ বেকিং সোডা এবং গরম পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার একটি টুথ ব্রাশে পেস্টটি লাগিয়ে দাগের স্থানে ঘষুন। এভাবে ১০ মিনিট রাখুন। তারপর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।  টাইলসের কোণায় কোন দাগ থাকলে এইভাবে পরিষ্কার করতে পারবেন।
৬। ডিশ ওয়াশিং সোপ
এক বালতি পানিতে অল্প পরিমাণে ডিশ ওয়াশিং সোপ মিশিয়ে  নিন। এই মিশ্রণটি দিয়ে টাইলসের ফ্লোর মুছুন। এই মিশ্রণটি ফ্লোর মুছে একটি স্পঞ্জ দিয়ে মুছে ফেলুন। আর দেখুন টাইলস কেমন ঝকঝকে করছে!
সূত্ররিডার্স ডাইজেস্ট