লাকসাম মিডিয়া গ্যালারী

#htmlcaption1 লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected lakshamlive Stay Connected

নাট্যকর্মী নেবে লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

যোগাযোগ এম এ জলিল....+8801716496603 এম সোহেল......+8801825399243 E-mail...lakshammultimediahouse@gmail.com www.facebook.com/lakshammultimediahouse www.lakshamlive.blogspot.com

লাকসাম উপজেলা.

লাকসাম উপজেলা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। কুমিল্লা সদর থেকে মাত্র ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ডাকাতিয়া নদীর তীরে এই উপজেলাটি অবস্থিত। বর্তমানে লাকসাম একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। লাকসাম শহরটি বাণিজ্যের শহর হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের বৃহত্তম পাঁচটি রেলওয়ে জংশনের মধ্যে একটি এখানে অবস্থিত। লাকসাম থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করা হয় ১৯৮২ সালে।

আকর্ষণীয় স্থান সমূহ.

অনেকেই এক দিনের ছুটিতে ঘুরার জন্য প্লেন খুঁজে বেরায়, আর আমি নিয়ে এলাম একদিন ঘুরার দারুণ এক প্লেন। প্রতি বছর প্রচুর সংখ্যক ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরতে আসে কুমিল্লায়। কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষন রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, রাণীর বাংলার পাহাড়, আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি।

ছোট নাটিকা.

জুনিয়র প্রেমিকলেখাঃ রাজিব (দরিদ্র বালক)ঠাস করে একটা শব্দ, ডান গালে তীব্র ব্যথা, চোখেমুখে অন্ধকার দেখছি! চোখ বন্ধ করে গালে হাত দিয়ে চুপ করে অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর চোখ খুলে দেখি মেয়েটি সামনে এখনো দাঁড়িয়ে আছে! চশমা পরা, রাগী চেহারা, রাগে মুখ লালচেহয়ে আছে! কিছু একটা হয়েছে, কিহয়েছে?এসো একটু পেছনে যাই..ব্যস মাত্র পাঁচ মিনিট...এসো.."

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস.

লাকসাম মাল্টি-মিডিয়া হাউস

Showing posts with label রান্নাবান্না রেসিপি. Show all posts
Showing posts with label রান্নাবান্না রেসিপি. Show all posts

Thursday, 3 August 2017

সঠিক ভাবে ভাত রান্না কত জন করতে পারে

বসানো ভাত রান্নার নিয়ম :
– চাউল যে রকমই হোক না কেন প্রথমে চাউল ভাল আঙ্গুলের তিন কোর পর্যন্ত পানি মেপে দিন।
– তারপর চুলার আচ বাড়িয়ে রান্না করতে থাকুন।
– ভাতের পানি হালকা হালকা থাকতে চুলার আচ কমিয়ে ঝাকিয়ে দিন।
– ৫-১০ মিনিট পর দেখবেন বসানো ভাত রেডি।
– বসানো ভাত খেতে অনেক মজাদার।
নরম ভাত ঝরঝরা করার নিয়ম :
– অনেক সময় ভাত রান্নার সময় পানি বেশি বা চুলার আচের কম বেশির কারণে ভাত নরম হয়ে যায়।
– আর নরম ভাত খেতে পানসে ও মুখের স্বাদ নষ্ট করে দেয়।
– এতে চিন্তিত না হয়ে ভাত নরম হলে ভাতের পানি ছেঁকে ফেলে দিন।
– আর সঙ্গে সঙ্গে ভাত হাড়ি থেকে ডিশে বেড়ে কয়েক মিনিট ফ্যানের বাতাসে রাখুন।
– তারপর দেখবেন ভাত ঝরঝরা হয়ে গেছে।
পুড়ে যাওয়া ভাত পরিবেশন করার নিয়ম :
– ভাত রান্নার করার সময় যদি পুড়ে গিয়ে গন্ধ বের হয় সেক্ষেত্রে টেনশনের কোন কারণ নেই।
– এক্ষেত্রে আপনি ভাতের উপর সামান্য লবণ ছিটিয়ে ১০-২০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
– তারপর ওপর থেকে ভাত তুলে নিচের পোড়া ভাত ফেলে দিয়ে পরিবেশন করুন।
ফ্রিজে রাখা ভাত পরিবেশন করার নিয়ম :
– ফ্রিজে ভাত রাখলে অনেক শক্ত হয়ে যায়।
– সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজ থেকে ভাত বের করে খাওয়া অসম্ভব।
– তাই প্রথমে ফ্রিজ থেকে ভাত বের করে সামান্য পানি দিয়ে আচ দিতে থাকুন।
– পানি গরম হলে চুলার আচ কমিয়ে ডীম করে রাখুন।
– ১৫-২০ মিনিট পর ভাত দেখে মনে হবে আপনি এই মাত্র রান্না করলেন।
– তারপর চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
শক্ত ভাত নরমাল ঝরঝরা করার নিয়ম :
– অনেক সময় ভাতে পরিমান মত পানি না হলে ভাত রান্না শক্ত চাল চাল হয়ে যায়।
– সেক্ষেত্রে আপনাকে পুনরায় হালকা পানি দিয়ে প্রথমে পানি ফুটিয়ে নিতে হবে।
– তারপর অল্প আচে রেখে ঢেকে রান্না করে পরিবেশন করুন।

অনলাইন

সকল রাধুনির জন্য রান্নার কাজ দ্রুত করতে রান্না সম্পর্কিত টিপস


১। যথা সম্ভব পাতিলে ঢাকানা দিয়ে রান্না করুন, এতে খাবারের পুষ্টিমান ঠিক থাকে।
২। মাংস রান্নার শুরুতেই লবণ না দিয়ে রান্নার মাঝামাঝি সময়ে লবণ দিয়ে ভালভাবে নাড়ুন। এরপর দেখে নিন পরিমান ঠিক হল কিনা।
৩। তরকারির ঝোল ঘন করতে চাইলে কিছু কর্ণ ফ্লাওয়ার পানিতে গুলে ঢেলে দিন। লক্ষ্য রাখুন যেন কর্ণ ফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ভালমত তরকারির সাথে মিশে যায়।
৪। চাল ধোয়ার পর ১০ মিনিট রেখে দিয়ে তারপর রান্না করুন অথবা রান্নার সময় ১ চা চামচ রান্নার তেল দিয়ে দিন। দেখবেন ভাত সুন্দর ঝরঝরে হয়েছে।
৫। মুরগীর ফ্যাট এড়াতে চাইলে চামড়া ছাড়িয়ে মুরগি রান্না করুন। কারন মুরগির চামড়াতেই প্রধান ফ্যাট থাকে।
৬। সবুজ সবজি রান্নার সময় সবুজ রং ঠিক রাখতে চাইলে এক চিমটি চিনি দিন।
৭। রান্না করার জন্য একদিন আগেই মাংস সেদ্ধ এবং ঠান্ডা করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।
৮। রান্নার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন।
৯। ফ্রিজের মধ্যে আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন।
১০। মাংস তাড়াতাড়ি সেদ্ধ করতে চাইলে খোসাসহ এক টুকরো কাঁচা পেঁপে তরকারীতে দিন।
১১। মাছ, মাংস বা ডিমের ঝোলে লবণ বেশি হয়ে গেলে তরকারিতে কয়েকটি সিদ্ধ আলু ভেঙে দিন। স্বাদ ঠিক হয়ে যাবে।
১২। মুরগির মাংস বা কলিজা রান্নাইয় ১ টেবিল চামচ সিরকা দিন। এতে মাংসের গন্ধ থাকবে না আবার তাড়াতাড়ি সিদ্ধও হবে।
১৩। মাছ ভাজার সময় তেল ছিটা রোধ করতে একটু লবণ ছড়িয়ে দিন।
১৪। বেরেস্তা করার সময় পেঁয়াজ ভেজে নামানোর আগে সামান্য পানি ছিটিয়ে দিন এতে পেঁয়াজ তাড়াতাড়ি লালচে হবে।
১৫। কাঁচা মাছ বা মাংস ছুরি-চপিং বোর্ডে কাটতে চাইলে বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকেই পানিতে ভিজিয়ে নরমাল করে নিন।
১৬। আলু ও ডিম একসঙ্গে সিদ্ধ করুন, আলাদা কাজে ব্যবহার করলেও তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হবে।
১৭। স্যুপ রান্নার সময় পাতলা হয়ে গেলে দুটি সিদ্ধ আলু ম্যাশ করে স্যুপে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন।
১৮। ডাল তাড়াতাড়ি রান্না করতে আগের রাতেই ভিজিয়ে রাখুন।
১৯। সহজে মসলাপাতি খুঁজে পেতে কৌটার গায়ে নাম লিখে রাখুন।
২০। আগামী দিন কী রান্না করবেন তার প্রস্তুতি রাতেই নিনতাহলে সময় বেঁচে যাবে।
২১। রান্না করার সময় অবশ্যই মাছ ও সবজির কম্বিনেশনের ব্যাপারে নজর রাখবেন ।
২২। মাছ রান্না করে কাঁচা ধনিয়া পাতা থাকলে তা কুচি করে কেটে বিছিয়ে দিন, স্বাদ অনেকগুণ গুন বেড়ে যাবে।
২৩। ডালে বাগার দিতে রসুন কুচি তেলে ভেজে ডালে দিয়ে দিন।
২৪। মাংশ জাতীয় রান্না করে শেষে বেরেস্তা (পেঁয়াজ কুচি ভাজি) ছড়িয়ে দিন এতে স্বাদ বেড়ে যাবে।
২৫। ডিম সিদ্ব করতে পানিতে সামান্য লবন দিয়ে নিন এতে ডিম খেতে সুস্বাদু হবে। আর ঠান্ডা করে ডিম ছিলুন তাহলে খোসায় লেগে ডিম নষ্ট হবে না।
২৬। চুলায় হাড়ি পাতিলে ঢাকনা থাকলে তা খালি হাতে ধরবেন না।
২৭। ভর্তা বানাতে মরিচ খালি হাতে ঢলবেন না এতে হাতে জ্বলুনি হবে।
২৮। মাছ ভাঁজতে কড়াই হতে নিদিষ্ট দূরে থাকুন। মাছে পানি থাকলে কিংবা ফুটে আপনার গায়ে বা চোখে তৈল পড়তে পারে।
২৯। শুকনা মরিচ ভাজার সময় মরিচ পোড়ার ঝাঁঝে হাঁচি-কাশি রোধে রান্নাঘরের দরজা জানালা ভাল করে খুলে দিন।
৩০। ভাজিতে তেল বেশী পড়ে গেলে ভাজিগুলো কড়াই বা প্যানের এক দিকে সরিয়ে কড়াই কাত করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তেল ভাজি থেকে ঝরে গেলে সংরক্ষন করে অন্য রান্নায় ব্যবহার করতে পারবেন। মাংসের তরকারীতে যদি তেল বেশী হয়ে পরে তবে উপর থেকে চামচ দিয়ে তেল উঠিয়ে ভাজিতে ব্যবহার করলে ভালোই সুস্বাদু লাগে।
৩১। এলাচ সম্পুর্ণ গুড়ো করে ব্যবহার করা ভাল এতে এলাচ কামড়ে পড়ে খাওয়ার মজা নষ্ট হবে না। আবার রান্নাতেও সুগন্ধ হবে।
৩২। সবজীর রং ঠিক রাখতে পাতিল ঢেকে রান্না না করাই ভাল। আর কিছু সবজিকে সামান্য সিদ্ব করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কিংবা বরফ কুঁচিতে রাখলে রান্নার পরও রং ঠিক থাকে।
৩৩। কিছু ভাজিতে কড়াইতে তেল গরম হলে যা দেবেন তার সাথে সামান্য লবণ দিয়ে দিন, তেলের ছিটকা উঠবে না।
৩৪। ডালের মজা বৃদ্ধির জন্য বেশি সময় ধরে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে ।
৩৫। তেলাপিয়া মাছের গন্ধ দূর করতে তেলাপিয়া মাছ হলুদ ও ভিনিগার/লেবুর রস মাখিয়ে মিনিট ১৫ রেখে রান্না করুন।
৩৬। লাল সর্ষে্র ঝাঁঝ বেশী হয়। হলুদ সর্ষে ব্যাবহার করলে তিতা হয়না। সর্ষে বাটার সময় লবন আর কাচামরিচ এক সাথে বাটলে তিতা হয়না।
৩৭। বর্ষাকালে লবণ গলে যায় তাই এক মুঠো পরিষ্কার চাল পুটলি করে বেঁধে লবণের পাত্রে রেখে দিন।
৩৮। কাঁচের গ্লাসে গরম কিছু নিতে গেলে অনেক সময় ফেটে যায় তাই গরম কিছু ঢালবার আগে গ্লাসে একটি ধাতু নির্মিত চামচ রেখে ঢাললে গ্লাস ফাটবে না।
৩৯। আলু এবং আদা বালির মধ্যে ডুবিয়ে রাখলে অনেক দিন পর্যন্ত টাটকা থাকে।
৪০। যে কোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে ঢাকনা দিয়ে রাখা ভালো, ফলে এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে যায় না এবং রেফ্রিজারেটও গন্ধ হয় না।
৪১। শিশি বা কৌটোর মধ্যে বিস্কুট রাখার আগে সামান্য চিনি বা মোটা কাগজের ঠুকরো রেখে দিলে বিস্কুট অনেকদিন মচমচে থাকে।
৪২। আঙ্গুর, টমেটো প্রভৃতি ফল ফুটন্ত পানিতে দু’মিনিট রেখে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানিতে রেখে সহজেই খোসা ছড়ানো যায়।
৪৩। চাল ও ডালের কৌটায় কয়েকটি শুকনো নিমপাতা বা শুকনো মরিচ রাখলে সহজে পোকা ধরবে না।
৪৪। কাঁচকলা ও লেবু প্রতিদিন অন্ততঃ এক ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে বেশিদিন টাটকা থাকে।
৪৫। কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে পানি শুকিয়ে কাপড়ের বা কাগজের প্যাকেটে সংরক্ষণ করলে বেশি দিন ভালো থাকে।
৪৬। চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোল—এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রাখলে সহজে নষ্ট হয় না।
৪৭। সিরকা ও সোডিয়াম বেনজোয়েট দিলে আচার দীর্ঘদিন ভালো থাকে।
৪৮। আচার বয়াম থেকে নেওয়ার সময় পরিষ্কার চামচ ব্যবহার করলে আচারে ফাঙ্গাস পড়ে না।
৪৯। চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপড়ে ঢুকবে না।
৫০। খাবার পুড়ে পাত্রের তলায় আটকে থাকলে পাত্রটিকে নুনপানিতে ভর্তি করে পানি ফুটালে পোড়া অংশ দ্রুত আলাগা হয়ে উঠে যায়।
অনলাইন

Saturday, 8 July 2017

ওনথন তৈরি

ওনথন তৈরির ধাপ সমুহ
ওনথন তৈরির ধাপ সমুহ

ওনথন তৈরির উপকরন

                              ১.  ময়দা ১ কাপ ।                                               ২.   মুরগির মাংস ১/২ কাপ ।
                              ৩.  চিংড়ি মাছ ১/৪ কাপ ।                                      ৪.  পালং শাক কুচি ১/২ কাপ ।
                              ৫.  গাজর কুচি ১/৪ কাপ ।                                       ৬.  বাঁধাকপি কুচি ১/২ কাপ ।
                              ৭. ডিম ১ টা ।                                                    ৮.  গোল মরিচ ১/৪ চা চামচ ।
                              ৯.  লবন স্বাদ মত ।                                               ১০. টেস্টিং সল্ট ১/৪ চা চামচ ।
                              ১১. কর্ণ ফ্লাওয়ার সামান্য পরিমাণ ।                              ১২. সয়াবিন তেল ১ বাটি ।
                              ১৩. পানি পরিমান মত ।

প্রস্তুত প্রণালী :

ময়দা, একটি ডিম এর অর্ধেক ও লবণের সঙ্গে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে হাত দিয়ে ভালোমতো মেখে ডো তৈরি করতে হবে । এই ডো আধা ঘন্টা রেখে দিন ।
এবার মুরগি এবং চিংড়ির কিমা, বাঁধাকপি, পালং শাক, গাজর কুচি , ডিমের বাকি অংশ, টেস্টিং সল্ট, গোল মরিচ, কর্ণ ফ্লাওয়ার সামান্য পরিমাণ এবং স্বাদমতো লবণ— এই সব উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে একটি পাত্রে মিশিয়ে রাখতে হবে ।
এবার উপরের ছবির মত করে, তৈরি করা ডো খুব পাতলা করে রুটি বেলে নিন। এখন ছোট চতু্র্ভুজ আকৃতির করে কেটে নিয়ে মাঝে ফিলার রেখে ডো খুব ভালোমতো মুড়ে দিন। যাতে করে ফিলার বা কিমার পুর ভেতর থেকে বের হয়ে না যায় । এবার চুলায় ভালো করে তেল গরম করে এর মধ্যে তৈরি করা ওনথনগুলো ছেড়ে দিন । খুব ভালো করে ভেজে সোনালি রং হয়ে উঠলে তা তুলে নিতে হবে। এরপর টিস্যু পেপার দিয়ে বাড়তি তেল মুছে আপনার পছন্দ মত প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন । এখন চাইনিজ আর রেস্ট্রুরেন্ট এ নয় বাড়িতেই তৈরি করে ফেলুন চাইনিজের ওনথন।
খুব সহজেই তৈরি করুন চাইনিজ রেস্ট্রুরেন্ট এর ওনথন
খুব সহজেই তৈরি করুন চাইনিজ রেস্ট্রুরেন্ট এর ওনথন

বাড়িতেই তৈরি করুন বোরহানি

বোরহানি তৈরির উপকরন

                             ১. টক দই ১/২ কেজি ।                                                        ২. পানি ১ কাপ ।
                             ৩. চিনি ১ টেবিল চামচ ।                                                    ৪. সরিষা বাটা ১ চা চামচ ।
                             ৫. আদা বাটা ১/৪ চা চামচ ।                                              ৬. ধনিয়া, গুঁড়া ১/২ চা চামচ।
                             ৭. জিরা, গুঁড়া ১/২ চা চামচ।                                              ৮. মরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ।
                             ৯. সাদা গোলমরিচ, গুঁড়া ১/৪ চা চামচ।                              ১০. বীট লবণ ১ চা চামচ।
                             ১১. লবণ ১ চা চামচ।                                                          ১২. পুদিনা পাতা বাটা ২ চা চামচ।
                             ১৩. কাঁচা মরিচ বাটা ১/ ২ চা চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী :

প্রথমে টক দই ভালভাবে ফাটিয়ে নিন ব্লেন্ড করে নিতে পারেন অথবা পাতলা কাপড় দিয়ে ছেকে নিতে পারেন । তারপর সকল উপকরন একে একে দিয়ে দিন ভালোভাবে নাড়ুন ভাল করে মিশানোর জন্য আবার হালকা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন । তৈরি হয়ে যাবে বিয়ে বাড়ির বোরহানি বাড়িতেই । এখন আপনার পছন্দ মত জগে বা গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন মজাদার বোরহানি । (সংগৃহীত )

সহজেই তৈরি করুন ফ্রুট কাস্টার্ড

 
ফ্রুট কাস্টার্ড এর জন্য যা লাগবে


১. দুধ ১ লিটার ।
২. ডিমের কুসুম ২ টা (optional) ।
৩. কাস্টার্ড পাউডার ৩ টেবিল চামচ (পছন্দ মত ফ্লেবার) ।
৪. চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদ মত ।
৫. কিসমিস ২ টেবিল চামচ (optional) ।
৬. কাট বাদাম ২ টেবিল চামচ (optional) ।
৭. ফল ( কলা, আম, আপেল, আঙুর, লাল বা সবুজ চেরি ফল, ডালিম/আনার , স্ট্রবেরি) cube করে কাটা প্রায় 2 কাপ (পানি জাতীয় ফল use করা যাবে না, যেমন  তরমুজ ) ।

প্রস্তুত প্রণালী :

প্রথমে ডিমের কুসুম ২ টা একটি বটিতে নিয়ে ভালো করে ফেটে নিন এখন কাস্টার্ড পাউডার দিয়ে ভাল করে মিশান এবং smooth মিশ্রণ তৈরি করুন । একটি পাত্রে দুধ নিন অল্প আচেঁ জাল দিন এখন চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন । ডিম এবং কাস্টার্ড এর মিশ্রনটি দুধের সাথে ঢেলে দিন এবং নাড়তে থাকুন অল্প আচেঁ রান্না করুন । মনে রাখবেন মিশ্রন টি একদম অল্প আচেঁ রান্না করতে হবে এবং বিরতিহীন ভাবে নাড়তে হবে তা না হলে কাস্টার্ড জমে যাবে । কাস্টার্ড হালকা ফুটে উঠলে নামিয়ে  ফেলুন । এখন ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রাখুন । খবার সময় আপনার পছন্দ মত ফল দিন এবং পরিবেশন করুন । আপনি ডিম ছাড়াও এই কাস্টার্ড বানাতে পারেন, এমন কি যে কোন একটি ফল দিয়েও কাস্টার্ড বানাতে পারবেন । এটি অনেক মজাদার এবং খুব সহজেই তৈরি করা যায় ।

চাইনিজ সবজি

 
 
 উপকরণ:

১. মুরগির হাড় ছাড়া মাংস হাফ কেজি                          ২. রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ
৩. পেঁপে পাতলা করে কাটা আধা কাপ                          ৪. গাজর পাতলা করে কাটা আধা কাপ
৫. পেয়াজ কিউব আধা কাপ                                     ৬. চিচিঙ্গা আধা কাপ
৭. পাতা কপি আধা কাপ                                          ৮. ফুলকপি আধা কাপ
৯. মটরসুটি আধা কাপ                                           ১০. চালকুমড়া আধা কাপ
১১. কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ                                 ১২. কাঁচামরিচ ফালি ৪-৫টি
১৩. লবণ স্বাদ মত                                                ১৪. গোল মরিচ গুঁড়া হাফ চা চামচ
১৫. লেবুর রস ২ টেবিল চামচ                                  ১৬. সয়াসস ১ টেবিল চামচ
১৭. অলিভ ওয়েল/ সাদা তেল ৩ টেবিল চামচ                 ১৮. লেমন গ্রাস ৩/৪ টুকরা

প্রণালি :

মুরগির হাড় ছাড়া মাংস সেদ্ধ করে উঠিয়ে রখুন। ওই পানিতেই সবগুলো সবজি সিদ্ধ করে ফেলুন। এক্ষেত্রে যেটি সিদ্ধ হতে বেশী সময় লাগে সেটি আগে চুলায় দিন। তারপর ক্রমানুসারে অন্যগুলো দিন। (উদাহরণ স্বরূপ : আমি গাজর আর ফুলকপি আগে কিছুক্ষণ সিদ্ধ করে নিয়ে তারপর বাকি গুলো দিই) সবজি গুলো সিদ্ধ হবার পর যেন সামান্য পানি অবশিষ্ট থাকে। এঅবস্থায় একটি ফ্রাইং প্যানে সামান্য তেল নিয়ে রসুন কুচি ও মুরগির মাংস গুলো নিন। ভাজা হয়ে গেলে তা সবজির পাতিলে ঢেলে দিন। একটি কাপে দুই থেকে আড়াই চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার নিয়ে পানিতে গুলিয়ে রাখুন।এরপর সবজির পাতিলে একে একে লবণ, লেবুর রস, গোল মরিচের গুড়া এবং সয়া সস দিন। সব শেষে কাপে গুলানো কর্ণ ফ্লাওয়ার ঢেলে হালকা নেড়ে নামিয়ে ফেলুন।

Tuesday, 4 July 2017

রাইস কুকারে খিচুড়ি!


আজকাল রাইস কুকার জিনিসটা খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে, বিশেষ করে ব্যাচেলরদের কাছে। ঝটপট ভাত তো বটেই, এই কুকারে রান্না করা যায় পোলাও , বিরিয়ানি, খিচুড়িও। চলুন, আজ জেনে নিই খুব সহজে রাইস কুকারে খিচুড়ি রান্না করার প্রনালি।

যা লাগবে
বাসমতি/পোলাও চাল ১ কাপ
মসুর ডাল ১/৪ কাপ
ঘি ৪ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমত
আদা-বাটা রসুন বাটা মিলে ২ চা চামচ
হলুদ মরিচ ধনিয়া জিরা গুঁড়ো মিলে দেড় চা চামচ
আস্ত জয়ত্রী ২ -৩ টা
ফুটন্ত পানি পরিমাণ মত (এক কাপ চালে ২ কাপ পানি দিলে সাধারণত হয়ে যায়)
প্রনালি
-রাইস কুকারে চালের সাথে সব উপকরণ মিশিয়ে মাখিয়ে রাখুন ২০ মিনিট।
-২০ মিনিট পর রাইস কুকারে আমরা যেভাবে ভাত রান্না করি সেভাবেই কুক অপশনে বসিয়ে দিন।
-সাধারণ ভাতের সময়েই রান্না হয়ে যাবে। মাঝে মাঝে নেড়েচেড়ে দিন।
-হয়ে এলে নামিয়ে গরম পরিবেশন করুন।

Friday, 26 May 2017

টমেটো সস এর রেসিপি

উপকরনঃ
=======
=> টমেটোঃ ৩ কেজি
=> পেঁয়াজ কুচিঃ ১/২ কাপ ( একটু মোটা করে কুঁচি করা )
=> লবঙ্গঃ ৮ টি
=> দারুচিনিঃ ৪-৫ টুকরো
=> শুকনা মরিচঃ ৬-৮
=> লবণঃ আড়াই চা চামচ
=> চিনি এক কাপ
=> সিরকা/ভিনেগার এক কাপ
=> টেস্টিং সল্ট সামান্য ( চাইলে নাও দিতে পারেন )

প্রণালীঃ
=====
=> প্রথমে টমেটোগুলো ধুয়ে টুকরো করে নিন।
=> খেয়াল রাখতে হবে কাটার সময় যেন রস থাকে ।
=> এবার টমেটো টুকরো, পেঁয়াজ কুচি, লবঙ্গ, দারুচিনি ও মরিচ একসঙ্গে নিয়ে ঢাকনা দিয়ে চুলায় মৃদু আঁচে জ্বাল দিন।
=> জ্বাল দেওয়ার মাঝে কয়েকবার নেড়ে দিন।
=> টমেটো সেদ্ধ হয়ে ঘন হলে ডাল ঘুটনি দিয়ে ঘুঁটে নিন ।
=> এরপর একটি চালনিতে টমেটো মিশ্রণ ছেঁকে নিন ।
=> ছেঁকে নেয়া টমেটো মিশ্রণ আবার লবণ, চিনি ও সিরকা/ভিনেগার সহ জ্বাল দিন ।
=> নামানোর আগে টেস্টিং সল্ট দিয়ে দিন ।
=> ঘন হয়ে হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন ।
=> এরপর বোতলে ভরে সংরক্ষণ করুন ।
টিপসঃ
=====
=> টমেটো বেশী টক হলে সিরকার পরিমান কমিয়ে দিন ।
=> মরিচের পরিমাণও নিজের পছন্দমত বাড়াতে বা কমাতে পারেন ।
=> সস সবসময় রেফ্রিজারেটরে রাখবেন। তাহলে সহজে নষ্ট হবেনা । গরম জায়গার রাখবেন না ।

কাসুন্দি কি ভাবে বানাবেন

উপকরন:
সরিষা বাটা ১/৪কাপ,কাচামরিচ ১০-১২টি,ভিনেগার ১/৪কাপ,লবন ১/২চা চামচ,হলুদ গুড়া ১/২চা চামচ,বিট লবন ১/৪চা চামচ,পানি ২/৫কাপ

প্রণালী:
প্রথমে সরিষা বাটা ও পানি একসাথে দিয়ে ভালো করে জাল দিন,এবার হলুদ গুড়া,লবন,ভিনেগার ও মরিচ দিন। ভালোমতো ফুটে উঠলে নামিয়ে নিন। থেকনেস টা নিজের পছন্দমতো রাখতে পারেন। ঠান্ডা হলে কাচের পাত্রে ভরে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষন করুন।
*সরিষা নির্বাচনে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।নতুন ও পরিষ্কার সরিষা বাছাই করতে হবে কাসুন্দি তৈরিতে নইলে একটা তেতো ভাব চলে আসবে।

প্রেশার কুকারে তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর সবজি বিরিয়ানি


বিরিয়ানি নামটা শুনলে মাংস আর তেল, মশলা দেওয়া খাবারের কথা মনে পড়ে যায়। তেল মশলা কম দিয়েও বিরিয়ানি রান্না করা সম্ভব। নানারকম সবজি দিয়ে রান্না করে নিতে পারেন স্বাস্থ্যকর সবজি বিরিয়ানি। প্রেশার কুকারে শীতের সবজি দিয়ে তৈরি করে নিন মজাদার সবজি বিরিয়ানি।

উপকরণ:

১ কাপ পোলাও চাল

৪টি লবঙ্গ

২টি দারুচিনি

১টি তেজপাতা

৮-১০ টি গোলমরিচ

১ চা চামচ জিরা

১/২ চা চামচ মরিচের গুঁড়ো

১ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়ো

২ টেবিল চামচ বিরিয়ানি মশলা

১/২ কাপ টকদই

১ কাপ পেঁয়াজ কুচি

১ টেবিল চামচ আদা রসুন কুচি

১/৪ কাপ ফুলকুপি

১/৪ কাপ বিনস

১/৪ কাপ গাজর কুচি

১/৪ কাপ আলু

১/৪ কাপ পুদিনা পাতা কুচি

১/৪ কাপ ধনেপাতা কুচি

তেল

লবণ

পানি

প্রণালী:

১। পোলাও চাল ভালো করে ধুয়ে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর পানি ফেলে দিন।

২। প্রেসার কুকারে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে আসলে এতে তেজপাতা, এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, জিরা দিয়ে দিন।

৩। কিছুক্ষণ নাড়ুন তারপর এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন।

৪। পেঁয়াজ বাদামী রং হয়ে আসলে এতে আদার পেস্ট, রসুনের পেস্ট, পুদিনা পাতা এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন।

৫। এরপর এতে আলু, গাজর, ফুলকুপি, বিনস দিয়ে দিন।

৬। সবজি রান্না হলে এতে লবণ, মরিচ গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, বিরিয়ানি মশলা এবং টকদই দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন।

৭। এবার এতে চাল দিয়ে মশলার সাথে ৫ মিনিট নাড়ুন।

৮। এতে পৌনে দুই কাপ পানি দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা লাগিয়ে দিন।

৯। প্রেশার কুকারে হুইসেল দিলে চুলা বন্ধ করে দিন।

১০। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার সবজি বিরিয়ানি।

টিপস:

আপনি আপনার পছন্দমত সবজি দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করতে পারেন

এই গরমে  ২২ রকমের  শরবত রেসিপি

                          <<<বেলের শরবত>>>
উপকরণ: পাকা বেল ১টি। ঠাণ্ডা পানি ৪ কাপ। গুঁড়া দুধ আধা কাপ। চিনি প্রয়োজন মতো। বরফ-কুচি পরিমাণ মতো।

পদ্ধতি: বেলের দানা ফেলে চামচ দিয়ে শাঁস বের করে নিন। পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। নরম হয়ে আসলে চালনি দিয়ে চেলে নিন।

এরপর এতে চিনি ও দুধ মেশান। বেশি ঘন হয়ে গেলে আরও কিছুটা পানি মিশিয়ে নিন। বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
                     
                           <<<কাচা আমের শরবত>>>
উপকরন ঃ আম-১টা, চিনি-৫-৬ চামচ, গোল মরিচ-১ চামচ, বীট লবন-১ চামচ, কাচা মরিচ-2, লবন-প্রয়োজন মত, পানি-আড়াই কাপ

প্রনালীঃ কাচা আম কুচি কুচি করে কেটে উপকরন গুলোর সাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

                             <<<জাফরানি শরবত>>>
উপকরণঃদুধ আধা কেজি,জাফরান আধা চা চামচ, পেস্তা কুচি আধা টেবিল চামচ,আমন্ড বাদাম কুচি আধা টেবিল চামচ, চিনি ৪ টেবিল চামচ, পেস্তা ও আমন্ড বাটা ১ টেবিল চামচ,কিশমিশ আধা টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়া সিকি চা চামচ, গোলাপ পানি আধা চা চামচ।

প্রণালীঃ দুধ, গোলাপ পানি, জাফরান ও চিনি একসঙ্গে চুলায় দিতে হবে, ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বাকি উপকরণ মিলিয়ে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

                                 <<<বাঙ্গির শরবত >>>
উপকরণ : বাঙ্গির রস ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, বরফ কিউব পরিমাণমতো, লবণ এক চিমটি ( না দিলেও হয়)।

প্রণালী : বাঙ্গি কুচি কুচি টুকরো করুন। বড় বাটিতে বাঙ্গির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে রেখে দিন বেশ কিছুণ। লেবুর রস ও বরফ মিশিয়ে রাখুন আরও কিছুণ। বাঙ্গি থেকে পানি বের হয়ে শরবত হবে। এটা ছেকে ঢেলে নিন গ্লাসে। লবণ মেশান। বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
                           
                            <<<আদা লেবুর শরবত>>> 
উপকরণ: আদার রস ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, চিনি ২ টেবিল-চামচ, ঠান্ডা পানি ১ গ্লাস।
প্রণালি: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে

                             <<<কামরাঙ্গার শরবত! >>>  
গরমের দিনে কামরাঙ্গার মারদাঙ্গা শরবত বানিয়ে ফেলুন।
উপকরণ ঃ কামরাঙ্গা [কাঁচা কিংবা পাকা!], গুড়/চিনি, বিট লবন
কাঁচা মরিচ, বরফ
প্রণালিঃ সব একসাথে করে দ্যান ঘুটা মিক্সিতে! তবে কামরাঙ্গার শিরা আর বিচি ফেলে নিতেই হবে! 

                             <<<মিক্সড আপেল জুস >>>
যা লাগবে
আপেল ২০০ গ্রাম, লেবু ৫ গ্রাম, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, গুড় ৫ গ্রাম, পানি ১০০ গ্রাম, বরফ কুচি পরিমাণমতো।
যেভাবে তৈরি করবেন
* আপেল টুকরো করে নিন।
* লেবুর রস তৈরি করুন।
* সব উপকরণ ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

                                   <<<তরমুজ পাঞ্চ>>>
তরমুজ ২০০ গ্রাম, আদা ৫ গ্রাম, লেবুর রস ৫ মিলি, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, চিনি স্বাদ অনুযায়ী, পানি ১০০ মিলি।
যেভাবে তৈরি করবেন
* প্রথমে তরমুজ কেটে খোসা ফেলে টুকরো করে নিন।
* লেবু চিপে রস করে নিন।
* আদা বেটে নিন নিন।
* সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন

                    <<<আমদই শরবত>>>
আমদই শরবত, দুই মিনিটের রেসিপি।
উপকরণঃ কাঁচা/পাকা আম - ৪টা, টক দই - আধ লিটার
কাঁচা মরিচ - ৮-১০টা, গোল মরিচ গুঁড়ো -১ টেবিল চামচ, ধনে পাতা - আন্দাজ মতো, বিট লবন - আন্দাজ মতো, চিনি - ইচ্ছেমতো, বরফকুঁচি
প্রণালিঃ সবকিছু একসাথে করে ব্লেন্ডারে দিন ঘুটা!

                                    <<<দই শরবত>>>
যা লাগবে: পানি ৬ গ্লাস, মিষ্টি দই-৪ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া সামান্য, বিট লবণ ও লবণ স্বাদমতো, বরফ ও চিনি পছন্দমতো।
প্রণালী: দইয়ের সঙ্গে পানি, সব উপকরণ মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন, ব্যস তৈরি। এবার স্বচ্ছ গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন দই শরবত

                                      <<<লাচ্ছি >>>
উপকরন: দই এক কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ঠান্ডা পানি ১ কাপ, বরফ কুচি , গোলাপ জল।
প্রণালী: দই ফেটে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এতে সিরাপ বা চিনি মেশান। গোলাপ জল ও বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
                            <<<ম্যাংগো মিল্ক শেক>>>

পাকা আম ৪ টি, মধু ৩ টেবিল চামচ, ভ্যানিলা ইসক্রিম ৪ স্কুপ, দুধ ৬ কাপ, বরফ কুচি।

আম কুচি করে কাটুন। ব্লেন্ডারে আমের সঙ্গে মধু , দুধ ও আইসক্রিম দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন।বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

                         <<<আনারসের শরবত>>>
উপকরণ : আনারস ১ টি, বিট লবণ ১/৪ চা চামচ, চিনি ২ চা চামচ, গোলমরিচের গুঁড়ো ২ চা চামচ, পানি পরিমাণমতো।

প্রণালী : আনারস কুড়িয়ে নিন। তারপর একসাথে বিট লবণ, চিনি ও গোল মরিচের গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর সুন্দর একটি গ্লাসে ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
                                 
                                <<<কমলার শরবত>>>
উপকরণ : কমলা ৪টি, চিনি ২ টেবিল চামচ, পানি ১০০ মিলি।
প্রণালী : প্রথমে কমলাগুলো ছিলে নিতে হবে। তারপর চিনি ও পানি দিয়ে একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ভালোভাবে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর একটি গ্লাসে শরবত ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

                                <<<টমেটোর শরবত >>> 
উপকরণ : টমেটো ২৫০ গ্রাম, চিনি ২ টেবিল চামচ, গোল মরিচ ১/২ চা চামচ, পানি ১০০ মিলি।

প্রণালী : টমেটো, চিনি, গোল মরিচ ও পানি একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিয়ে একটি গ্লাসে ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন টমেটোর শরবত।

                             <<<আদা লেবুর শরবত>>>
উপকরণঃ
১। আদার রস ১ চা চামচ
২। লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
৩। চিনি ২ টেবিল চামচ
৪। ঠান্ডা পানি ১ গ্লাস

প্রণালীঃ সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে। ইফতারের সময় এই শরবত খুবই ভালো লাগবে।

                                <<<আমের শরবত>>>
উপকরণ: পাকা আমের রস আধা কাপ, চিনির সিরাপ ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, সোডা পানি প্রয়োজনমতো, বরফকুচি আধা কাপ, বিট লবণ ইচ্ছামতো।
প্রণালী: গ্লাসে বরফকুচি, চিনির সিরাপ, লেবুর রস, আমের রস ও বিট লবণ দিতে হবে। এবার সোডা পানি দিয়ে গ্লাস ভরে পরিবেশন।
চিনি সিরাপ
উপকরণ: পানি ২ কাপ, চিনি ২ কাপ।
প্রণালী: পানি ও চিনি জ্বাল দিয়ে মাঝারি ঘন করে নামালেই চিনির সিরাপ তৈরি হয়ে যাবে। যেকোনো পানীয় তৈরিতে এই সিরাপ ব্যবহার করা যাবে।

                            <<<তরমুজের শরবত>>>
উপকরণ : ৩০০ গ্রাম তরমুজ, বিট লবণ, চিনি, বরফ কুচি।
প্রস্তুত প্রণালি : তরমুজ ভালো মতো পরিষ্কার করে কেটে রস বের করতে বেল্গন্ডারের মধ্যে নিন [এতে যেন কোনো খোসা বা বিচি না থাকে]। তাতে মিনারেল পানি, পরিমাণ মতো বিট লবণ, চিনি মিশিয়ে ২০ মিনিট ফ্রিজ এ রেখে দিন। ২০ মিনিট পর ফ্রিজ থেকে বের করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।  

                              <<<আপেলের শরবত>>>

উপকরণ : ২টি আপেল, চিনি, বরফ কুচি, পুদিনা পাতা।
প্রস্তুত প্রণালি : আপেল ভালো মতো পরিষ্কার করে কেটে রস বের করতে বেল্গন্ডারের মধ্যে নিন (তাতে যেন কোনো খোসা বা বিচি না থাকে)। তারপর ছেঁকে নিন যাতে শরবত পরিষ্কার দেখা যায়। মিনারেল পানি, পরিমাণ মতো চিনি মিশিয়ে ২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। ২০ মিনিট পর ফ্রিজ থেকে বের করে বরফ কুচি আর পুদিনা পাতা দিয়ে পরিবেশন করুন।    

                                  <<<দুধের শরবত>>>

উপকরণ: দুধ ১ লিটার, জ্বাল দিয়ে ভালো করে ঠান্ডা করে নিতে হবে। চিনি আধা কাপ (স্বাদমতো কমবেশি করা যাবে), কাজু বাদাম বাটা ১৫টি, পেস্তা বাদাম বাটা ১৫টি, কাঠ বাদাম বাটা (আমন্ড) ১৫টি, জাফরান ১ চিমটি (২ টেবিল-চামচ গোলাপ জলে ভেজানো), বরফ ২ কাপ।
প্রণালি: ঠান্ডা দুধ, চিনি, বরফ, বাদাম বাটা ও জাফরান দিয়ে খুব করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন পেস্তা বাদাম কুচি দিয়ে।     

                                   <<<লেবু পুদিনা>>
উপকরণ: মাঝারি আকারের লেবু ২টা, পুদিনাপাতা ১০ গ্রাম, পানি ২৫০ মিলিলিটার, বরফ ২০ মিলিলিটার, চিনি ১০ গ্রাম।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. প্রথমে লেবুর খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। পুদিনাপাতা ধুয়ে কুচি করে কাটুন।
২. ব্লেন্ডারে লেবু, পুদিনাপাতা, পানি, চিনি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন।
৩. এরপর ছাকনি দিয়ে ছেকে গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

                                   <<<স্ট্রবেরি >>>

উপকরণ: দই ২৫০ মিলিলিটার, স্ট্রবেরি ২টা, চিনি ১০ মিলিগ্রাম।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. প্রথমে ব্লেন্ডারে দই দিন।
২. এরপর স্ট্রবেরি ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করুন।
৩. ফ্রিজে কিছুক্ষণ রেখে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন